জন কেরি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য ছিল গণতান্ত্রিক ও ইহুদি রাষ্ট্র হিসেবে ইসরায়েল যেন প্রতিবেশীদের সঙ্গে শান্তি ও নিরাপদে টিকে থাকতে পারে, তা নিশ্চিত করা। এই ভোট ছিল ইসরায়েল ও আমাদের স্বার্থে।
ভেটো না দেওয়ার সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ওবামা প্রশাসন ঘনিষ্ঠ মিত্র ইসরায়েলকে বর্জন করেছে, এ অভিযোগ সত্য নয়। ইসরায়েলের জন্য ওবামা প্রশাসনের চেয়ে বেশি অন্য কোনও মার্কিন প্রশাসন করেনি।’
ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংকট সমাধানে দুই রাষ্ট্র গঠনের নীতির প্রতি সমর্থন জানিয়ে কেরি বলেন, ‘এখন যে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে তা চলতে দেওয়ার মানে হলো, একদিকে ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি দখল অব্যাহত রাখা, অন্যদিকে দুই রাষ্ট্রের বদলে একটি রাষ্ট্রকে টিকে থাকতে দেওয়া। আরব জনসংখ্যা যে দ্রুতগতিতে বাড়ছে তাতে ইসরায়েলের পক্ষে একই সঙ্গে ইহুদি ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকা অসম্ভব।’
ভাষণে কেরি অভিযোগ করে বলেন, ‘ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু বসতি স্থাপনকারীদের অ্যাজেন্ডার ভিত্তিতে ইসরায়েলের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে চাইছেন।’
উল্লেখ্য, গত ২৩ ডিসেম্বর (শুক্রবার) দীর্ঘদিনের রীতি ভেঙ্গে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ইসরায়েলি বসতিবিরোধী প্রস্তাবে ভেটো না দিয়ে নীরব ভূমিকা পালন করে যুক্তরাষ্ট্র। এদিন ভেটো দেওয়ার পরিবর্তে ভোটদান থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নেয় ওবামা প্রশাসন। এ ধরনের প্রস্তাব থেকে ইসরায়েলকে বাঁচিয়ে দিতে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের প্রথা থেকে সরে আসে তারা। সূত্র: বিবিসি।
/এএ/