লিখিত প্রতিক্রিয়ায় ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘আরও বড় ও ভালো কিছুর দিকে আমাদের দেশের এগিয়ে যাওয়ার সময় এখন। তথাপি, আমাদের দেশ ও দেশের মানুষের স্বার্থে এই পরিস্থিতির (নিষেধাজ্ঞা) সর্বশেষ অবস্থা জানতে আগামী সপ্তাহে গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করব।’
বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে প্রভাবিত করার সন্দেহে শাস্তি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত ৩৫ জন রুশ কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছে ওবামা প্রশাসন। ওয়াশিংটন ডিসি এবং সান ফ্রান্সিসকো উপ-দূতাবাসে কর্মরত এসব কূটনীতিক ও তাদের পরিবারকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ নিয়েছে। একই সঙ্গে মেরিল্যান্ড এবং নিউ ইয়র্কে গোয়েন্দা তথ্য কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হত এমন দুটি রুশ কম্পাউন্ডও বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া দুটি রুশ গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠান জিআরইউ ও এফএসবি, এ দুই সংস্থার চার কর্মকর্তাসহ নয় ব্যক্তি এবং জিআরইউকে সাইবার হামলা চালাতে সহযোগিতাকারী তিনটি কোম্পানির ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।
প্রসঙ্গত, নির্বাচনি প্রচারণার সময় ডেমোক্র্যাটিক দলের জাতীয় কনভেনশনের বেশ কিছু ই-মেইল ও হিলারির প্রচারণা টিমের চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত ইমেইল হ্যাক হয়। এরপর তা বিকল্প ধারার সংবাদমাধ্যম উইকিলিকসে প্রকাশিত হয়। এরপরই ডেমোক্র্যাট শিবিরের পক্ষ থেকে হ্যাকিংয়ে রুশ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠে। তাদের অভিযোগ, হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে ট্রাম্প জেতাতে সহযোগিতা করছে রাশিয়া। যদিও ট্রাম্প শিবির ও রাশিয়া বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।সূত্র: ফক্স নিউজ।
/এএ/