ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউটিও) কাছে মার্কিন পণ্যের তালিকা দিয়েছে। ওইসব পণ্যের ওপর তারা উচ্চ হারে শুল্ক আরোপ করবে। বার্তাসংস্থা রয়টার্স লিখেছে, বিশ্ব জুড়ে ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় তারা মার্কিন পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত মার্চ থেকে ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর যথাক্রমে ২৫ শতাংশ ও ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন ট্রাম্প। শুল্ক আরোপের সময় তিনি মন্তব্য করেছিলেন, ‘জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে’ তিনি ওই শুল্ক আরোপ করেছেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এতে চীনের ওপর তেমন কোনও প্রভাবই পড়বে না।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন জানিয়েছে, মার্কিন শুল্কের কারণে তাদেরকে ১৫০ কোটি ডলারের শুল্কের মুখে পড়তে হয়েছে। অ্যালুমিনিয়ামের ওপর আরোপ করা মার্কিন শুল্কের কারণে তাদের খরচ বেড়েছে ১০ কোটি ডলার। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইইউ চাল, ক্র্যানবেরি, বৌরবর্ন হুইস্কি, ভুট্টা, বাদামের মাখন ইত্যাদি মার্কিন পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করার কথা ভাবছে। ট্রাম্পের আরোপ করা শুল্ক রদ না হলে জুনের ২০ তারিখ থেকে ইইউ ওই পণ্যগুলোর ওপরে নতুন হারে শুল্ক কর্তন শুরু করবে।
এদিকে ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর মার্কিন শুল্ক আরোপের কারণে ভারতের ক্ষতি যথাক্রমে ৩ কোটি ১০ লাখ ডলার ও ১৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার। ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশনের কাছে ভারতের হস্তান্তর করা মার্কিন পণ্যের তালিকায় রয়েছে সয়াবিন তেল, পাম তেল, কাজু বাদামসহ অন্যান্য পণ্য। ট্রাম্পের আরোপ করা শুল্ক বাতিল না হলে ওইসব মার্কিন পণ্যে নতুন হারের শুল্ক কার্যকর হবে জুনের ২১ তারিখ থেকে।