মার্কিন সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন মনে করেন, কর্মক্ষেত্রে ও করের তথ্যের পাশাপাশি নিজের ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ্যে এনে তিনি সঠিক করেছেন। ওই ফলাফলে দেখা গেছে, ওয়ারেনের বংশলতিকায় আমেরিকার আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সদস্যদের উপস্থিতি রয়েছে। আসন্ন সিনেট নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান প্রার্থী আদিবাসী হিসেবে নিজেকে নথিভুক্ত করার সমালোচনা করলে ওয়ারেন পাল্টা জবাব দিয়েছেন, তিনি আদিবাসী হিসেবে কোনও সুবিধা নিয়েছেন কি না তা তার কর্মক্ষেত্র সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখলেই স্পষ্ট হবে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান জানিয়েছে, এলিজাবেথ ওয়ারেনকে ২০২০ সালে অনুষ্ঠিতব্য প্রেসিডেনশিয়াল নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করছে ডেমোক্র্যাট পার্টি।
বিতর্কের এক পর্যায়ে এলিজাবেথ ওয়ারেন বলেছেন, ‘আস্থা বলতে যা বোঝায় সরকারের বিষয়ে তা আসলেই অনেক নিচে নেমে গেছে। আর তাই আমি আমার সব কিছু প্রকাশ করে দিয়েছি।’ তার ভাষ্য, যে কারণে তিনি তার দশ বছরের করের হিসেব ও তিনি কোথায় কোথায় কাজ করেছেন সেসব তথ্য উন্মুক্ত করেছেন সেই একই কারণে ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফলও প্রকাশ্যে এনেছেন।
ডিএনএ পরীক্ষার ওই ফলাফলে দেখা গেছে, তার তার পূর্বপুরুষদের মধ্যে আমেরিকার আদিবাসীদের কেউ না কেউ ছিলেন। এই ফলাফল প্রকাশ্যে আনার পর বিতর্ক শুরু হয়েছে। এ নিয়ে আমেরিকার আদিবাসীদের কয়েকটি সংগঠনের আপত্তির মুখে ওয়ারেন জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও আদিবাসী গোষ্ঠীর সদস্য হতে চাওয়া তার উদ্দেশ্য নয়।
ওয়ারেন অনেক আগে থেকেই প্রকাশ্যে এই কথা বলে আসছিলেন যে তিনি আমেরিকার আদিবাসীদের উত্তরসূরি। তার এই দাবির কথা জানার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাকে নিয়ে বিদ্রূপ করতে শুরু করেন। গার্ডিয়ান লিখেছে, কার্যত ট্রাম্পের বিদ্রূপের বিরুদ্ধে প্রমাণ প্রতিষ্ঠা করতে চাওয়াটাও ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ্যে আনার পেছনে কাজ করেছে।