ট্রাম্পের নির্বাচনি প্রচারণা সহযোগী রজার স্টোন গ্রেফতার

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনি প্রচারণার ঘনিষ্ঠ সহযোগী রজার স্টোনকে ফ্লোরিডায় গ্রেফতার করা হয়েছে। ২০১৬ সালের মার্কিন নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের অভিযোগে স্পেশাল কাউন্সেল রবার্ট মুলারের তদন্তের অংশ হিসেবে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে কংগ্রেসে মিথ্যা সাক্ষ্য ও তদন্ত বাধাগ্রস্ত করার অভিযোগ আনা হয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

5d04e9a9a8b24a2baec3077aa0064538_18

২০১৬ সালের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপ এবং এর সঙ্গে ট্রাম্পের প্রচারণা শিবিরের সংযোগ ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের মূল কেন্দ্রে রয়েছে ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ন্যাশনাল কমিটির চেয়ারম্যান ও হিলারি ক্লিনটনের ই-মেইল ফাঁসের ঘটনা। দাবি করা হয়, ট্রাম্পকে জয়ী করানোর জন্য রাশিয়া এই হ্যাকিং ঘটিয়েছে এবং উইকিলিকসের মাধ্যমে তা প্রকাশ করা হয়েছে। সম্ভাব্য রুশ সংযোগ খতিয়ে দেখতে শুরু করে এফবিআই ও কংগ্রেস। তবে তদন্তের শুরুতে এফবিআই পরিচালক জেমস কোমিকে বরখাস্ত করার পর ট্রাম্প শিবিরের বিরুদ্ধে রুশ সংযোগের অভিযোগ আরও জোরালো হয়ে ওঠে। কোমিকে বরখাস্তের পর ট্রাম্পের রুশ সংযোগ তদন্তের দায়িত্ব নেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রড রজেনস্টেইন। এছাড়া স্পেশাল প্রসিকিউটর হিসেবে রবার্ট মুলারও বিশেষ দায়িত্ব নিয়ে তদন্ত শুরু করেন।

স্পেশাল কাউন্সেল রবার্ট মুলারের তদন্তে গত কয়েক মাসে এই প্রথম অভিযোগ করা হলো। রজার স্টোনের বিরুদ্ধে সাতটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ট্রাম্প শিবিরের অজ্ঞাত এক সিনিয়র কর্মকর্তা স্টোনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন হ্যাক করা ইমেইল কবে উন্মুক্ত করা হবে। উইকিলিকসের তথ্য ফাঁস নিয়ে দেওয়া বক্তব্য বিকৃত, বাধা ও মিথ্যা তথ্য ও সাক্ষ্য দিয়েছেন তিনি। মিথ্যা সাক্ষ্যের কয়েকটি দিয়েছেন হাউস ইন্টেলিজেন্স কমিটির সামনে।

স্টোন জানিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার বিষয়ে কয়েক মাস ধরেই প্রস্তুতি নিয়েছেন। তবে তিনি কোনও বেআইনি কাজ করার বিষয়ে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

শুক্রবার স্টোনকে ফ্লোরিডার আদালতে হাজির করা হবে।