মৃত ছেলের হৃৎস্পন্দন শুনে কান্নায় ভেঙে পড়লেন মা

nonameমাত্র সাত মাস বয়সে মারা গিয়েছিল তার ছেলে। মারা যাওয়ার কম দিন হয়নি। ২০১৩ সালে মারা যাওয়া সেই ছেলেটির হৃৎপিণ্ডটা এখনও বেঁচে আছে। প্রায় তিন বছর পর ছেলের হৃদয়ের হৃৎস্পন্দন শুনে কান্নায় ভেঙে পড়লেন অকালে চলে যাওয়া ছেলেটির মা!
২০১৩ সালে পরিচারিকার প্রেমিকের নির্যাতনে মারা যায় হিথার ক্লার্কের সাত মাসের ছেলে। আজীবন ছেলে হারানোর শোক নিয়েই বেঁচে থাকতে হবে, জানা ছিল হিথারের। তবে মৃত্যুর কাছে হার মানেননি তিনি। ছেলে লুকাসের অঙ্গ দান করে প্রাণ বাঁচিয়েছেন আরও তিন শিশুর। লুকাসের হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপিত হয়েছে ১৮ মাসের জর্ডন ড্রেকের শরীরে। লুকাসের হৃদয় পেয়ে পুনর্জন্ম হয় জর্ডনের।
শুক্রবার জর্ডনের সঙ্গে দেখা করেন হিথার ক্লার্ক। এখন জর্ডনের বয়স ৪ বছর। কানে স্টেথোস্কোপ লাগিয়ে তার শরীরে লুকাসের হৃৎস্পন্দন শুনেছেন। আর কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। কাঁদতে কাঁদতে হিথার জড়িয়ে ধরেন জর্ডনের মা এসথার গনজালেসকে। এসথারের চোখেও তখন জল। কাঁদতে কাঁদতে হিথারকে তিনি বললেন, ‘এটা কিন্তু লুকাসেরই হৃৎস্পন্দন।’

জর্ডনের সঙ্গে দেখা করার কথা ফেসবুকে আগেই লিখেছিলেন হিথার। দেখা হতেই নিজের একটা টেডি হিথারকে উপহার দিয়েছে জর্ডন। তাকে জাপটে ধরে চুমু খেয়ে ধন্যবাদ জানাতে ভোলেননি হিথারও।

দেখা করে ফেসবুকে হিথার লিখেছেন, মৃত্যুর পরেও ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দিয়েছে অঙ্গদানের সিদ্ধান্ত। পুনর্জন্ম হয়েছে দুই শিশুর, হৃদয় মিলিয়েছে দুই মাকেও।

সূত্র: মেইল অনলাইন।

/এএ/