মার্কিন ধনকুবের
ককাসের আগে বেশ কিছু জ্বালাময়ী ও বিভেদ সৃষ্টিকারী মন্তব্য করার পর ট্রাম্প নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের তালিকায় স্থান পেলেন। যুক্তরাষ্ট্রে মুসলমানদের প্রবেশের নিষেধাজ্ঞার কথা বলে বিশ্বজুড়ে সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। এছাড়া তিনি অভিবাসী ও মেক্সিকান অভিবাসীদের নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্যও করে সমালোচিত হয়েছেন। তার আরেকটি বিতর্কিত মন্তব্য হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর সীমান্তে তিনি ‘সুন্দর বড় দেয়াল’ নির্মাণ করবেন।
ওসলো পিস রিসার্চ ইন্সটিটিউটের প্রধান ও নোবেল পর্যবেক্ষক ক্রিস্টিয়ান বার্গ হার্পভিকেন জানান, ২০১৬ সালের শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের মধ্যে রয়েছেন, সাবেক গুপ্তচর এডওয়ার্ড স্নোডেন, কলম্বিয়ার শান্তি আলোচনার মধ্যস্ততকারী, যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যুতমন্ত্রী আর্নেস্ট মনিজ ও ইরানের পারমাণবিক শক্তি সংস্থার প্রধান আলী আকবর সালেহি।
হার্পভিকেন দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের একজন মনোনয়নকারীর একটি চিঠি তিনি দেখেছেন যাতে ট্রাম্পকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছে। ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, চরমপন্থী ইসলাম, আইএস, পারমাণবিক ইরান ও কমিউনিস্ট চীনকে মোকাবেলায় ট্রাম্পের তেজস্বী আদর্শ একটি বড় অস্ত্র।
তিনি দাবি করেন, যাদের শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই, তাদের একজন হলেন ট্রাম্প।
বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের জানায়, কয়েক হাজার লোক নোবেল শান্তি পুরস্কারে মনোনয়নের জন্য নাম প্রস্তাব করতে পারেন। নরওয়ের নোবেল কমিটি এর মধ্যে মাত্র দুই শতাধিক ব্যক্তিকে প্রাথমিক মনোনীতদের তালিকায় রাখে। সূত্র: দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট।
/এএ/