সিরিয়ায় ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নিয়ে অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্র

প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের বিষ্ময়কর পতনের পর সৃষ্ট সুযোগকে কাজে লাগাতে সিরিয়ায় তাদের অংশীদার এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র  কাজ করবে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। রবিবার (৮ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে বাইডেন বলেন, সিরিয়া এখন ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তার  মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দেশটিতে কয়েক বছরের মধ্যে প্রথমবার রাশিয়া, ইরান বা হিজবুল্লাহ কোনও প্রভাবশালী ভূমিকা রাখতে পারছে না। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

সিরিয়ার দ্রুত পরিবর্তিত ঘটনাবলির দিকে ইঙ্গিত করেছেন বাইডেন। আসাদ সরকারের পতন হোয়াইট হাউজকেও হতবাক করেছে।

বিবৃতিতে বাইডেন আরও বলেন, সিরিয়ায় অবশেষে আসাদ শাসনের পতন হয়েছে। বহু বছর ধরে আসাদের প্রধান সমর্থক ছিল ইরান, হিজবুল্লাহ এবং রাশিয়া। কিন্তু গত এক সপ্তাহে তাদের সমর্থন ভেঙে পড়েছে। এই তিনটি পক্ষই এখন অনেক দুর্বল হয়ে পড়েছে।

বাইডেন এবং তার শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টারা মধ্যপ্রাচ্যের একটি নতুন রূপ নিয়ে আলোচনা করেছেন।

বাইডেন আরও বলেন, ‘আমরা সবাই যখন সামনের ভবিষ্যতের কথা ভাবছি। তখন যুক্তরাষ্ট্র আমাদের অংশীদার এবং সিরিয়ার সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কাজ করবে যাতে তারা ঝুঁকি মোকাবিলায় সুযোগ গ্রহণ করতে পারে।’

তবে একজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা সতর্ক করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ার জন্য ভবিষ্যতের কোনও নকশা সরবরাহ করার পরিকল্পনা করছে না। সিরিয়ার ভবিষ্যত সিরিয়ানরাই লিখবে।

সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্রের মজুদ নিশ্চিত করতেও যুক্তরাষ্ট্র কাজ করবে বলে জানিয়েছেন ওই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তবে তিনি বলেন, এই প্রচেষ্টায় কোনও মার্কিন সেনা সিরিয়ার মাটিতে ভূমিকা রাখবে না।

সিরিয়ায় রাশিয়ার দুটি প্রধান ঘাঁটি এবং কিছু ছোট ঘাঁটির ভবিষ্যৎ এখনও অনিশ্চিত। এসব ঘাঁটি আসাদকে সহায়তা করার জন্য এবং এ অঞ্চলে রাশিয়ার উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে।