পানামা যদি অবিলম্বে চীনের প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ বন্ধে ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে ওয়াশিংটন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও পানামার প্রেসিডেন্ট হোসে রাউল মুলিনোকে সতর্ক করেছেন। বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পানামা খালে চীনের প্রভাবকে হুমকি হিসেবে দেখছেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
পানামা সিটিতে মার্কিন শীর্ষ কূটনীতিকের সঙ্গে বৈঠকের পর মুলিনো জানিয়েছেন, তিনি চীন ও চীনা ব্যবসার সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তিগুলো পর্যালোচনা করবেন। তিনি পানামায় কিছু চীনা ব্যবসা, বিশেষ করে হংকংভিত্তিক সিকে হাচিসন হোল্ডিংসের ২৫ বছরের চুক্তি পর্যালোচনার ইঙ্গিত দেন। ২০২১ সালে নবায়ন হওয়া এই চুক্তির আওতায় কোম্পানিটি পানামা খালের উভয় প্রবেশদ্বারে বন্দর পরিচালনা করছে। তিনি বলেন, এই চুক্তির ওপর একটি নিরীক্ষা চালানো হবে।
তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, বিশ্বের দ্বিতীয় ব্যস্ততম জলপথের ওপর পানামার সার্বভৌমত্ব কোনো আলোচনার বিষয় নয়।
মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, রুবিও ট্রাম্পের বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন যে, পানামা খালের প্রবেশদ্বারের কাছে দুটি বন্দর পরিচালনাকারী হংকংভিত্তিক কোম্পানির উপস্থিতি একটি হুমকি এবং এটি যুক্তরাষ্ট্র-পানামা চুক্তির লঙ্ঘন।
তবে রুবিও নির্দিষ্ট করে বলেননি, পানামাকে কী ব্যবস্থা নিতে হবে বা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ কী হবে।
ক্ষমতায় ফিরে ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন যে, পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্র নেবে। ২০শ শতকের গোড়ার দিকে যুক্তরাষ্ট্র এই খাল নির্মাণ করেছিল এবং ১৯৯৯ সালে এটি পানামাকে হস্তান্তর করা হয়। ট্রাম্প দাবি করেছেন, খালটি এখন বেইজিং দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে।