ওয়াশিংটনে শি জিনপিং, বিমানবন্দরে স্বাগত জানালেন ট্রাম্প

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বুধবার ওয়াশিংটনে পৌঁছেছেন। সেখানে তাকে বিরল ও উষ্ণ অভ্যর্থনায় স্বাগত জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগে দুই দেশের শীর্ষ কর্মকর্তারা জানুয়ারির ১০ তারিখ পর্যন্ত বাণিজ্যিক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে একমত হন। মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি এ খবর জানিয়েছে।

শি জিনপিং ওয়াশিংটনে অবতরণের পর তাকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে হাজির হন ট্রাম্প। সাধারণত হোয়াইট হাউসে পৌঁছানোর পর বিদেশি নেতাদের স্বাগত জানানোর রীতি থাকলেও এবার বিমানবন্দরেই শিকে অভ্যর্থনা জানান তিনি।

শির বিমানের দরজার সামনে সিঁড়ির নিচে ১০০ ফুট বা প্রায় ৩০ মিটার দীর্ঘ লাল গালিচা বিছানো হয়। গালিচার দুই পাশে ২১ সদস্যের একটি গার্ড অব অনার দাঁড়িয়েছিল। বিমানের পাশের একটি সিঁড়ির কাছে দাঁড়িয়ে ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প শি ও তার স্ত্রী পেং লিয়ুয়ানকে করমর্দনের মাধ্যমে স্বাগত জানান।

অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে দুটি বি-১ বোমারু বিমানের ফ্লাইওভার, সামরিক বাহিনীর প্রতিটি শাখার প্লাটুন এবং দুই দেশের পতাকা ও জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। ট্রাম্প ও শি একে অপরের সঙ্গে কথা বললেও তাদের কথোপকথন শোনা যায়নি।

তুলনামূলকভাবে উষ্ণ ৬৩ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার মধ্যেও ট্রাম্প গ্লাভস ও ওভারকোট পরেছিলেন। শির সঙ্গে করমর্দনের সময় তিনি একটি গ্লাভস খুলে ফেলেন। একপর্যায়ে শির পিঠে হাত দিয়ে তাকে কিছু বলেন, তবে তা শোনা যায়নি।

বুধবার সন্ধ্যায় হোয়াইট হাউসে ফিরে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, আমার মনে হয়, তারা এটির প্রশংসা করে। অসাধারণ মানুষ।

যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর পর দেওয়া এক বিবৃতিতে চীনের প্রেসিডেন্ট বলেন, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, অংশীদার হওয়া উচিত’। তিনি বলেন, চীনা জাতির মহান পুনর্জাগরণ অর্জন এবং ‘আমেরিকাকে আবার মহান করা’- দুটিই পাশাপাশি এগিয়ে যেতে পারে। দুই দেশ একে অপরের সাফল্যে অবদান রাখতে পারে এবং এর মাধ্যমে বৃহত্তর বিশ্ব উপকৃত হতে পারে।