সোমবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীতে ‘সাংবাদিক অবহিতকরণ ও মতবিনিময় সভা’য় এ আহ্বান জানান বিশেষজ্ঞরা। ‘রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউট’ (আইইডিসিআর) এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার যৌথভাবে এই সভার আয়োজন করে।
সভায় আইইডিসিআর-এর পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদি সাবরিনা জানান, শুরুতে ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেক বেশি হলেও দিনে-দিনে সেই আতঙ্ক অনেক কমে এসেছে। ডেঙ্গুভীতি এখন আর মানুষের মধ্যে নেই। ২০০০ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল পাঁচ হাজার ৫৫১ জন। মৃত্যু হয় ৯৩ জনের। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৪ হাজার ৫৪ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের।
অধ্যাপক মীরজাদি সাবরিনা জানান, ডেঙ্গুর মতো চিকুনগুনিয়াও ভাইরাসবাহিত রোগ। এই রোগও এডিস মশা থেকে হয়। দেশে ২০০৮ সালে প্রথম চিকুনগুনিয়া ধরা পড়ে। ২০১৪ সাল পর্যন্ত এ রোগ দেখা গেলেও এ বছর কোনও রোগী পাওয়া যায়নি।
জিকা ভাইরাস নিয়ে মীরজাদি সাবরিনা জানান, এর প্রতিষেধক এখনও আবিষ্কৃত হয়নি। ব্যক্তিগত সচেতনতাই জিকা ভাইরাস থেকে দূরে থাকার প্রধান উপায়। ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার, শরীরে মশা প্রতিরোধক ক্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে।
সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন আইইডিসিআর-এর উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এসএম আলমগীর, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এম সেলিম উজ্জামান প্রমুখ।
এসএম আলমগীর জানান, ডেঙ্গুর মৌসুমে জ্বর নিয়ে আসা রোগীদের মধ্যে ১০ থেকে ২০ শতাংশ পাওয়া যায়, যারা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত। এদের মধ্যে প্রাপ্ত বয়স্কই বেশি।
/জেএ/এআরএল/
আরও পড়ুন: