বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, চিকিৎসা শিক্ষার মান বজায় রাখতে সরকার সজাগ রয়েছে। তার ভাষ্য, ‘মেডিক্যাল শিক্ষা নিয়ে যারা কাজ করছেন তাদের মনে রাখতে হবে এটি শিক্ষা কার্যক্রম। কোনও শিল্প প্রতিষ্ঠান নয় এটি। মেডিক্যাল কলেজ থেকে যেন সুচিকিৎসক বের হতে পারে সে লক্ষ্য নিয়ে সবাইকে কাজ করতে হবে। এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হচ্ছে, যা এ বছরও দেখেছে দেশবাসী।’
সভায় আগামী বছরের জন্য কলেজগুলোতে আসন বৃদ্ধি বিবেচনার জন্য শিগগিরই মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদফতর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ পরিদর্শন সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন মন্ত্রী। কলেজ পরিদর্শনের পর আসন বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. সিরাজুল হক খান, স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব ফয়েজ আহম্মেদ, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) মহাসচিব ডা. ইহতেশামুল হক ও সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সভাপতি অধ্যাপক ডা. ইকবাল আর্সলান, বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লা এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।