‘ভবনগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে আমাদের করণীয় আছে’

01বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেছেন, ‘দুর্যোগ মোকাবিলায় যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা রেখে সঠিকভাবে ভবনগুলো নির্মাণ করা জরুরি। ভবনগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে আমাদের অনেক কিছুই করণীয় আছে। শিক্ষা কারিকুলামেও বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকা উচিত।’

সোমবার (১ এপ্রিল) বিএসএমএমইউ’তে ভূমিকম্প, অগ্নিকাণ্ডসহ যেকোনও দুর্যোগের সময় হাসপাতালগুলোর জরুরি প্রস্তুতি, মোকাবিলা ও করণীয় নিয়ে সেমিনারে (Sensitization Seminar on Hospital Disaster Resilience and Safety) তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বি ব্লকের ডা. মিল্টন হলে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

উপাচার্য বলেন, ‘এ ধরনের সেমিনার ভূমিকম্প, অগ্নিকাণ্ডসহ যেকোনও দুর্যোগকালীন সময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের জন্য জরুরি প্রস্তুতি, মোকাবিলা ও করণীয় নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীর একটি হাসপাতালসহ বেশকিছু অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। তাছাড়া ভূমিকম্পের ঝুঁকিতো রয়েছেই। তাই এ ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি থাকাটা জরুরি।’

ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তব্যরত শিক্ষক, চিকিৎসক, শিক্ষার্থী, নার্স, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ সব স্টাফ, রোগী ও স্বজনরা যাতে এ ধরনের দুর্যোগের ঘটনা ঘটলে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চত করা যায় তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা অবশ্যই থাকতে হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। ইতোমধ্যে বিএসএমএমইউ’র পক্ষ থেকে বিভিন্ন রকমের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং সেই কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এই প্রকল্পের কর্মকর্তা, থাইল্যান্ডের প্রোগ্রাম ম্যানেজার ফ্রেডেরিক জন অ্যাবো। তিনি তার বক্তৃতায় বলেন, ‘স্ট্রেনদিং আর্থকুয়েক রেজিলিনসি ইন বাংলাদেশ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৩ জালের জুন মাসে এবং চলতি বছর ২০১৯ইং-এর নভেম্বর পর্যন্ত এই প্রকল্পের কার্যক্রম চলবে। ঢাকাসহ ২৪টি সরকারি হাসপাতালে ৩৫টি প্রশিক্ষণ কোর্স পরিচালিত হয়েছে। এতে সংশ্লিষ্ট ৮২৪ জন চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও নার্সকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এ বছর কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, বান্দরবানের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালগুলোতে একইরকম আরও কয়েকটি প্রশিক্ষণ কোর্স পরিচালনা পরিচালনা করা হবে। ’

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. শহীদুল্লাহ সিকদার। এতে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ রফিকুল আলম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোজাফফর আহমেদ, পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে মাহবুবুল হকসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।