কোভিশিল্ড আছে ৮৫ হাজার, দেড় লাখের বেশি সিনোফার্ম শেষ

দেশে করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত কোভিশিল্ড টিকা দেওয়া হয়েছে এক কোটি ১ লাখ ১৪ হাজার ৯৩৪ ডোজ। এগুলো পুরোটাই দেওয়া হয়েছে অক্সফোর্ডের অ্যাস্ট্রাজেনেকার ফর্মুলায় ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন। এখনও পর্যন্ত ভারত থেকে দেশে ভ্যাকসিন এসেছে মোট ১ কোটি ২ লাখ ডোজ। সেই হিসাবে কোভিশিল্ডের টিকা মজুত আছে আর মাত্র ৮৫ হাজার ৬৬ ডোজ।

শনিবার (১০ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো টিকাদান বিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, এখনও পর্যন্ত কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৫৮ লাখ ২০ হাজার ১৫ জন। আর দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৪২ লাখ ৯৪ হাজার ৯১১ ডোজ। শুধু শনিবার (১০ জুলাই) দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে ৪৫৬ জনকে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের পাঠানো তথ্যমতে, প্রথম ডোজ নেওয়া ৫৮ লাখ ২০ হাজার ১৫ জনের মধ্যে সাড়ে ১৪ লাখের মতো মানুষের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছ সংকট। এদের সবাইকেই অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকারই দ্বিতীয় ডোজ দিতে হবে। কেননা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এখনও দুই কোম্পানির দুই ডোজের টিকা গ্রহণের কোনও সিদ্ধান্ত দেয়নি।

এদিকে শনিবার ফাইজারের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ৫ হাজার ৯২৫ জনকে। এখনও পর্যন্ত এই টিকা দেওয়া হয়েছে মোট ১৫ হাজার ৬৯৮ জনকে।

এ ছাড়াও এখন পর্যন্ত এক লাখ ৬২ হাজার ৫১৩ জনকে সিনোফার্মের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে আজ প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ৩৮ হাজার ৮৩৭ জনকে, আর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে দুই হাজার ২৩৭ জনকে।

উল্লেখ্য, দেশে গত ৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয়ভাবে করোনার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলে। টিকা সংকট দেখা দেওয়ায় ২৬ এপ্রিল থেকে প্রথম ডোজ দেওয়া বন্ধ ঘোষণা করে স্বাস্থ্য অধিদফতর। এরপর ২ মে’র পর থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয় টিকার জন্য নিবন্ধন।

তবে বুধবার (৭ জুলাই) থেকে আবারও টিকার নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন ৮৭ লাখ ৮৩ হাজার ৭১২ জন।