পর্যটন সচিব বলেন, ‘পর্যটন বিকাশের অপার সম্ভাবনা আছে বাংলাদেশে। এটাকে কাজে লাগালেই আমরা এই খাতকে শক্তিশালী করতে পারবো। এখানে প্রচুর প্রাকৃতিক সম্পদ থাকার পরেও বিভিন্ন কারণে আমরা এগোতে পারি না। এখান থেকেই জিডিপির ২৫ ভাগ আয়ের সুযোগ থাকলেও তা পারছি না। সঠিক পদক্ষেপ নিলে আমরা অবশ্যই দেশকে পর্যটনে একটা সম্ভাবনার জায়গায় নিতে পারবো। টাকার ক্ষেত্রে আমাদের সমস্যা নেই। সমস্যা হলো উদ্যোগ।’
বিদেশ থেকে কতসংখ্যক পর্যটক বাংলাদেশে আসে সেই তথ্য নেই জানিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন পর্যটন সচিব। তার অভিমত, এগুলো জানার জন্য উদ্যোগ নিতে হবে। মহিবুল হকের কথায়, ‘অামাদের প্রচুর প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে; যা বিশ্ববাসীকে অাকৃষ্ট করতে পারে। কিন্তু এসব যদি মানুষ না জানে তাহলে তো লাভ নেই। এক্ষেত্রে মিডিয়ার ভূমিকা অনেক।’
পর্যটন বিষয়ে সেরা প্রতিবেদন লেখার জন্য অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত ১০ সাংবাদিককে ফেলোশিপ দিয়েছে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড। এ সময় আরও ছিলেন ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) পরিচালক তৌফিক রহমান, এভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশের সভাপতি নাদিরা কিরণ, সাধারণ সম্পাদক তানজিম আনোয়ার।