সাতক্ষীরায় বিভিন্ন জেলার বিপুলসংখ্যক পর্যটক

39990258_220246205506453_692925477798543360_nঈদের ছুটিতে পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের বিভিন্ন এলাকা ও আকাশলীনা ইকো ট্যুরিজম সেন্টার পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে দর্শনার্থীরা ভিড় করেছে। এসব স্থানে বিভিন্ন জেলার পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। ঈদুল আজহার তৃতীয় দিন শুক্রবারেও (২৪ আগস্ট) পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের বিভিন্ন এলাকাসহ জেলার পর্যটন স্পটে শিশুসহ সব বয়সী দর্শনার্থী ঘুরে বেড়িয়েছে আনন্দে।

সুন্দরবনের কলাগাছিয়া, দোবেকি, আকাশলীনা ইকো ট্যুরিজমসহ বিভিন্ন পয়েন্ট বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থীর পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে। বিশেষ করে সুন্দরবন সংলগ্ন চুনা নদীর পাড়ে গড়ে ওঠা আকাশলীনা ইকো ট্যুরিজমে যেন তিলধারণের ঠাঁই ছিল না।

40094474_267293530567574_7522852900771463168_nসাতক্ষীরা শহরের মোজাফফর গার্ডেন, লেক ভিউ, আব্বাস গার্ডেন, রূপসী দেবহাটা ম্যানগ্রোভ পর্যাটন কেন্দ্রও দর্শনার্থীদের অংশগ্রহণে ছিল জমজমাট।

39992250_901913430018824_8614511176551759872_nচুয়াডাঙ্গা থেকে বাস নিয়ে সাতক্ষীরায় বেড়াতে এসেছেন আবুল হোসেন। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘ঈদের ছুটিতে আমরা এলাকার বন্ধুরা মিলে বেড়াতে এসেছি। সবাই বেশ উপভোগ করছি। আকাশলীনা ইকো ট্যুরিজম সেন্টার ঘুরে খুব ভালো লেগেছে। এখানকার বিভিন্ন জীববৈচিত্র্য দেখে মুগ্ধ হয়েছি। এছাড়া আব্দুস সামাদ মিউজিয়ামে দেশি ও সামুদ্রিক বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও জীবজন্তু সাজানো আছে। এখানে এসে সুন্দরবন ও এই অঞ্চলের জেলে আর বাওয়ালীদের ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্র সম্পর্কে জানা হলো।’

40054277_1807305499335051_844441199468085248_nঢাকা থেকে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা একজন গণমাধ্যমকর্মী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘একমাত্র সাতক্ষীরা দিয়ে সড়কপথে সুন্দরবনের আশপাশ দেখার সুযোগ রয়েছে। সেজন্য ঈদের ছুটিতে পরিবার নিয়ে এখানে ঘুরতে এসেছি। সাতক্ষীরায় অনেক ইতিহাস ও ঐতিহ্যবাহী এলাকা আছে। সেগুলো ঘুরে ভালোই লাগছে।’

39973391_2015263252048449_7531856968995045376_nএদিকে সাতক্ষীরায় ভ্রমণে এসে কোনও পর্যটক যেন হয়রানির শিকার না হয় সেই ব্যাপারে প্রশাসন সতর্ক আছে বলে জানালেন শ্যামনগর উপজেলার নির্বাহী অফিসার মো. কামরুজ্জামান। তার তথ্য অনুযায়ী, ঈদের সময়টাতে সাধারণ মানুষের চলাফেরা নিবিঘ্ন করতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলাজুড়ে রয়েছে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে ট্রলার ও নৌকার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।