বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের ট্যুর অপারেটর ছাড়াও জাহাজটি পরিচালনার দায়িত্বে আছে ডেনমার্কের পাগমার্ক। যৌথ এই আয়োজনে অংশীদার বাংলাদেশের ট্যুর অপারেটর জার্নি প্লাস। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী তৌফিক রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন, রবিবার ক্রুজশিপটি ৬১ জন বিদেশি পর্যটক নিয়ে মোংলা বন্দরে নোঙর করবে। এরপর তিন দিন পর্যটকরা সুন্দরবনে বেড়াবেন। ৩১ জানুয়ারি পর্যটকদের নিয়ে যাওয়া হবে মহেশখালীতে।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি পর্যটকদের সামনে বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক বিভিন্ন আয়োজন উপস্থাপন করা হবে বলে জানান তৌফিক রহমান। তিনি বলেন, ‘প্রথমে সুন্দরবনের বেশ কয়েকটি স্পট ঘুরে দেখবেন পর্যটকরা। এর মধ্যে রয়েছে হিরণ পয়েন্ট, ধাংমারী ডলফিন অভয়ারণ্য, চরপুটিয়া, টিকোনা দ্বীপ ও আলোরকল ফিশারম্যান কলোনি। মহেশখালীতে থাকবে জেলেদের গ্রাম, রাখাইন সম্প্রদায়ের নাচ, গানের আয়োজন।’
জানা গেছে, ‘সিলভার ডিসকোভারার’ ভ্রমণে প্রত্যেক পর্যটকের খরচ হবে ২ লাখ ৯৩ হাজার টাকা। সুইমিং পুল, বারসহ আধুনিক হোটেলের সব সুবিধা রয়েছে এই জাহাজে। এটি ৩১ জানুয়ারি মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনের উদ্দেশে রওনা দেবে। ফের ইয়াঙ্গুন থেকে বাংলাদেশ হয়ে চেন্নাই ফিরে যাবে ‘সিলভার ডিসকোভারার’।
২০১৭ সালে জাহাজটি ১৭টি দেশের পর্যটক নিয়ে দু’বার বাংলাদেশে এসেছিল।