বামনাইল বিলের মনোরম সৌন্দর্যে মুগ্ধ ভ্রমণপ্রেমীরা

বামনাইল বিলঝিনাইদহের বামনাইল বিল অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর। প্রতিদিন বিকালে অসংখ্য ভ্রমণপিপাসু এখানে ঘুরতে আসেন। অনেকে আশপাশ থেকে নৌকা ভাড়া করে জলে ভেসে বেড়ান।

যশোর, ঝিনাইদহ ও মাগুরা জেলার সীমান্ত মধ্যবর্তী স্থানে বামনাইল বিল অবস্থিত। ঝিনাইদহ সদর উপজেলা শহর থেকে ২৬ কিলোমিটার ও কালীগঞ্জ উপজেলা শহর থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে বিলটি মূলত ফুরসন্ধি ইউনিয়নে অবস্থিত। এখানকার বামনাইল গ্রামের নামে এর নামকরণ হয়েছে ‘বামনাইলের বিল’। এর দৈর্ঘ্য পাঁচ কিলোমিটার, প্রস্থ তিন কিলোমিটার।

বামনাইল বিলবিলের পাশে বেগবতী নদী। বর্ষা মৌসুমে খাল, বিল ও নদীতে পানি থই থই থাকায় মনোমুগ্ধকর হয়ে ওঠে চারপাশ। এদিক-ওদিক সবুজের সমারোহ, মাঝখানে অপরূপ বিলের ছলছল করা জল দোল খায় হাওয়ায়।

কালীগঞ্জ উপজেলার তেঘুরিহুদা গ্রামের তরুণ শাকিল ও সালাম বাড়ির কাছেই এমন সুন্দর জায়গা আছে জানতেন না। লোকমুখে খবর পেয়ে বিলে বেড়াতে এসে মুগ্ধ তারা। তাদের মতোই খবর পেয়ে কালীগঞ্জ থেকে এসেছেন শিক্ষক মিজানুর রহমান। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিলটি চমৎকার। এখানে গ্রামীণ নিরিবিলি পরিবেশে বেড়াতে পেরে ভালো লাগছে।’

বামনাইল বিলনাটোপাড়া গ্রামের খলিলুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, বামনাইল তাদের পাশের গ্রাম। এখানকার বিল ভ্রমণপ্রেমীদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। যশোর ও ঝিনাইদহ শহর থেকে অনেকে বামনাইলে বেড়াতে আসছেন। অনেকে নদীতে নৌকায় চড়ে মনোরম দৃশ্য উপভোগ করছেন। জাল ফেলে মাছ ধরার দৃশ্যও দেখা যায়। 

বামনাইল বিলভ্রমণপিপাসুদের যাবতীয় নিরাপত্তা দেওয়ার প্রতিশ্রæতি দিয়েছেন ফুরসন্ধি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সুশেন শিকদার। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এবারের কোরবানির ঈদের পর থেকে ঝিনাইদহ, কালীগঞ্জ, যশোরসহ বিভিন্ন স্থানের দর্শনার্থীরা এখানে আসছে। তারা নৌকা ও ট্রলারে চড়ে বিলে বেড়ান।’