প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরের হাজার হাজার বাসিন্দা একবছর ধরে ই-স্কুটার নিয়মিত ব্যবহার করছে। এর মধ্যে ফ্রান্সের রাজধানীতে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান স্কুটার-শেয়ারিং পদ্ধতি চালাচ্ছে। কিন্তু এর অতিরিক্ত ব্যবহার বাসিন্দাদের দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দিয়েছে।
ফ্রান্সের পরিবহনমন্ত্রী এলিজাবেথ বর্ন দুর্ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। ফরাসি দৈনিক ল্যঁ পারিজিয়নকে তিনি বলেন, ‘ই-স্কুটারের ব্যবহার খুব দ্রুত বেড়েছে। এটা সত্যি, দুর্ঘটনাও বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই নাগরিক জীবনে দেখা দিয়েছে অশান্তি।’
এলিজাবেথ বর্ন মনে করেন, অপারেটরগুলোকে ঠিক করতে হবে কীভাবে ই-স্কুটার সেবা দেবে। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, এ বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ফুটপাতে ই-স্কুটার চালালে ১৩৫ ইউরো (১৩ হাজার টাকা) জরিমানা গুনতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রধান লক্ষ্য, পথচারীরা যেন হাঁটতে গিয়ে ভয় না পায় কিংবা তাদের যেন দৌড়ে পালাতে না হয়।’
আমেরিকার সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন ও টেক্সাস অস্টিন পাবলিক হেলথ ডিপার্টমেন্টের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, নতুন রাইডারদের কারণে দুর্ঘটনা বেশি হচ্ছে। প্রতি তিনজন নতুন রাইডারের একজন প্রথম যাত্রাতেই হোঁচট খেয়ে আহত হচ্ছেন। এর মধ্যে ৬৩ শতাংশই আঘাত পাওয়ার আগে অন্তত নয়বার পড়ে যান। গবেষকদের মন্তব্য, ই-স্কুটার রাইডারদের জন্য প্রশিক্ষণ জরুরি।
সূত্র: সিএনএন ট্রাভেল