ক্ষমা না চাইলে যেকোনও সময় রায় কার্যকর





নিজামীমানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামী রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চেয়ে আবেদন না করলে সরকার যেকোনও সময় রায় কার্যকর করতে পারে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
তিনি বলেন, রিভিউয়ের পূর্ণাঙ্গ রায় আপিল বিভাগ থেকে ট্রাইব্যুনালে পৌঁছে গেছে। এখন কিছু আনুষ্ঠানিকতার পর তা কারাগারে যাবে। এরপর প্রাণভিক্ষা চাইবেন কিনা সেজন্য নিজামীকে কিছু সময় দেওয়া হবে। রায় কার্যকরে এর বাইরে এখন আর কোনও বাধা নেই।
রবিবার (৮ মার্চ) রাতে নিজামীকে কাশিমপুর কারাগার থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয়।
সোমবার (৯ মে) দুপুরে রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি প্রকাশিত হওয়ার পর কিছু আনুষ্ঠানিকতা শেষে বর্তমানে রায়ের কপি ট্রাইব্যুনালে রয়েছে। ৫টা ৩ মিনিটে আপিল বিভাগের কর্মকর্তারা রায়ের কপি নিয়ে ট্রাইব্যুনালে পৌঁছানোর পর ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার মো. শহীদুল আলম ঝিনুক পরবর্তী প্রক্রিয়াগুলো শুরু করেছেন। এর আগে সোমবার দুপুরে ১৫৩ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ এ রায় সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়।
ট্রাইব্যুনালে রায়ের কপি দিয়ে বেরিয়ে আসছেন কর্মকর্তারাগত ১৫ মার্চ নিজামীর মৃত্যুদণ্ড বহালের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশের পর মৃত্যু পরোয়ানা জারি করেছিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। বিচারপতি মোহাম্মদ আনোয়ার উল হক নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনালের তিন বিচারক রাত ৯টার দিকে আসামির মৃত্যুপরোয়ানায় সই করেন। বৃহস্পতিবার (৫ মে) প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ আপিলের মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রেখে আদেশ দেন।
বেঞ্চের অন্য তিন সদস্য হলেন- বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

আরও পড়ুন: নিজামীর চূড়ান্ত রায় ট্রাইব্যুনালে

/ইউআই/এফএস/এজে