শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
এর আগে গত ২০ মে শরিফুল ইসলাম নামে এক যুবক গভীর রাতে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসিনাকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করান। হাসিনা তার মায়ের পরিবর্তে মোহাম্মদপুরের কাঠপট্টির একটি বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করতো।
শিশুটির মা সালমা বেগম জানান, তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ায় মেয়েকে ওই বাসায় রেখে ময়মনসিংহের ধোবাউরা উপজেলার কামারপুর গ্রামের বাড়িতে চলে যান। এরপর গত ২০ মে তার মেয়েকে ঢামেক হাসপাতালে জ্বর হয়েছে বলে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে তিনি এসে দেখেনে তার শরীরে অনেক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এরপর তারা মোহাম্মদপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে গৃহকর্তা লিজা ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।
ঢামেক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শরিফুল নামে যে যুবক তাকে হাসপাতাল নিয়ে এসেছিলেন, তিনি পরে পালিয়ে যান। ডাক্তাররা নিজ দায়িত্বে শিশুটিকে ভর্তি করান।
মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন মীর বলেন, ঘটনার পরই গৃহকর্ত্রী লিজা ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা হয়েছে। ওই মামলা এখন হত্যা মামলা হিসাবে চলবে।
আরও পড়ুন: আমরা ওসমান পরিবারের দালালি করতে মাঠে নামি নাই: হেফাজত
/এআরআর/এজে