উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৭ নভেম্বর ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক মো. মোতাহার হোসেন তারেক রহমানকে খালাস এবং গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে সাত বছরের কারাদণ্ডাদেশ ও ৪০ কোটি টাকা জরিমানার আদেশ দেন। রায়ে পাচার করা ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৬১৩ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দেওয়া হয়। তারেক রহমানকে খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে ওই বছরের ৫ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আপিল দাখিল করে দুদক।
এর আগে ২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলাটি করে দুদক। ২০১০ সালের ৬ জুলাই তারেক ও মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়। প্রায় একবছর পর ২০১১ সালের ৮ আগস্ট তারেককে পলাতক দেখিয়ে চার্জ গঠন করা হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, টঙ্গীতে প্রস্তাবিত ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য নির্মাণ কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডের মালিক খাদিজা ইসলামের কাছ থেকে গিয়াসউদ্দিন আল মামুন ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৮৪৩ টাকা নেন। সিঙ্গাপুরে এই টাকা লেনদেন হয়। এই টাকার মধ্যে তারেক রহমান তিন কোটি ৭৮ লাখ টাকা খরচ করেন।
দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, নিম্ন আদালতে তারেক রহমানকে দেওয়া খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে দুদকের আপিল ও আদালতের দেওয়া দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আসামি মামুনের আপিলের শুনানি শেষ হয়েছে। আদালত যেকোনও দিন আপিলের রায় ঘোষণা করবেন।
/ইউআই/এমএনএইচ/