টঙ্গীর এরশাদনগরে জোড়াখুনের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী কামরুজ্জামান কামুসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব ১। সোমবার রাতে সাভারের দেন্দাভর এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। র্যাবের মুখপাত্র মুফতি মাহমুদ খান বাংলা ট্রিবিউনকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গ্রেফতারকৃতরা প্রাথমিকভাবে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাদের কাছ থেকে চাপাতিসহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে ১৭ মে মো. কাজল মিয়া (২২) এবং আমলী বেগম (৪০) নামে দুজনকে গ্রেফতার করে র্যাব। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই পরিকল্পনাকারীসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব আরও জানায়, কাজলকে জিজ্ঞাসাবাদে জোড়া খুনের সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, জোড়া খুনের ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ী কামু। তার সঙ্গে কামুর সহযোগী ইয়াছিন, ইকবাল, হীরা, মোবারক, নাজমুল, সাগর এবং কাজল এই হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়। কামু নিহত শরীফের কাছে মাদক বিক্রির দেড় লাখ টাকা চাইতে গেলে শরীফ কাল ক্ষেপণ করতে থাকে। ১০-১২ দিন আগে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে শরীফ কামুর মাকে উদ্দেশ্য করে গালিগালাজ করে। এর প্রতিশোধ ও এলাকায় নিজের আধিপত্য বিস্তার করতে কামু শরীফকে খুনের পরিকল্পনা করে।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
১৪ মে এরশাদ নগর এলাকায় শরীফ হোসেন ও তার সহযোগী জুম্মন নামের দুই যুবককে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এই ঘটনায় ১৬ তারিখ টঙ্গী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
/এআরআর/এসটি/
আরও পড়ুন
খুনিদের ভাড়া করে পুলিশের সোর্স মুছা, তার গুলিতেই মিতু খুন
দুই ‘খুনির’ জবানবন্দি নিয়ে পুলিশের রহস্যময় রাখঢাক