বুধবার বিকাল সোয়া ৪টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। সদরঘাট পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) দেলোয়ার হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, পটুয়াখালী যাওয়ার কথা বলে ঈগল-৩ লঞ্চে একটি ডাবল কেবিন ভাড়া করে আল-মামুন। সে অগ্রিম তিনশ’ টাকা পরিশোধ করে। এ সময় তার সঙ্গে ওই কিশোরী ছিল। ৪টার দিকে তারা লঞ্চে ওঠে। এর কিছুক্ষণ পর কেবিন থেকে রক্ত বের হতে দেখে কেবিন বয় আল-মামুনকে দরজা খুলতে বলেন। দরজা খুলতে রাজি না হওয়ায় লঞ্চের স্টাফরা মিলে দরজা খুলে মামুনকে আটকে ফেলে। তারা দেখতে পান ওই কিশোরীর গলা কেটে বালিশচাপা দিয়ে রাখা হয়েছে। মেয়েটির বাড়ি কেরানীগঞ্জের আগানগর এলাকায়। মামুন জানিয়েছে, সে কবি নজরুল কলেজ পড়ে। তার গ্রামের বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটা এলাকায়।
এসআই জানান, ঘটনাস্থলে সিআইডির ক্রাইম সিন আসছে। আলামত সংগ্রহ করা হচ্ছে। এছাড়া ঘটনাস্থলে নৌ-পুলিশ ও র্যাব রয়েছে। মামুনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
এর আগে বুধবার দুপুরে একটি অনুষ্ঠানে নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান লঞ্চের নিরাপত্তায় সিসি ক্যামেরা লাগানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।
/এআরআর/এজে/