পাকস্থলিতে করে ইয়াবা পাচার: ৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ শাহজালালে আটক ১

ইমাম হোসেনশাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনাল থেকে ৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ ইমাম হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছেন শুল্ক গোয়েন্দারা। ইয়াবাগুলো তার পাকস্থলিতে বিশেষ ব্যবস্থায় লুকিয়ে রাখা হয়। চিকিৎসকের সহায়তায় সেগুলো তার পাকস্থলি থেকে বের করার চেষ্টা চলছে বলে জানান শুল্ক গোয়েন্দারা।
শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, রবিবার দুপুর পৌনে ১টায় নভো এয়ারের (ঠছ৯৩২) ফ্লাইটে ঢাকায় আসে তাসনিম ফকরুল নামের এক যাত্রী (৩০)। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এবং ওই যাত্রীর আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে শুল্ক গোয়েন্দারা তাকে তল্লাশি করে দেখতে পান তার পাকস্থলিতে লুকানো রয়েছে চার হাজার পিস ইয়াবা।
পরে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তার প্রকৃত নাম ইমাম হোসেন। বাবার নাম আবদুল আমিন। কক্সবাজারের টেকনাফে তার বাড়ি। পাকস্থলিতে কিভাবে ইয়াবাগুলো ঢুকানো হয়েছে জানতে চাইলে শুল্ক গোয়েন্দাদের ইমাম হোসেন জানান, ১০০টি করে ট্যাবলেট ৪০টি পলিথিনের প্যাকে বিশেষ কায়দায় মুখ দিয়ে পাকস্থলিতে ঢুকানো হয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে এসব ইয়াবা টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আনা হয়। পরে কক্সবাজার হয়ে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রেখেছেন শুল্ক গোয়েন্দারা।

শুল্ক গোয়েন্দারা আরও জানান, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এক্সরে রিপোর্টেও আটক ব্যক্তির পাকস্থলিতে ইয়াবার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। জরুরি বিভাগের চিকিৎসকেরা এখন মেডিসিন খাইয়ে পাকস্থলির ভেতরের ইয়াবা বের করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই প্রক্রিয়া ব্যর্থ হলে পেট কেটে এগুলো বের করা হবে।

/জেইউ/এমও/এনএইচ/