দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ-পরিচালক এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা এসএম রফিকুল ইসলাম সোমবার সকালে সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে আসামিকে আটক করে আদালতে হাজির করেন। এ প্রসঙ্গে মো. সহিদুর রহমান বলেন, ‘আসামির পক্ষে তার আইনজীবী জামিন আবেদন করেন। কিন্তু নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করি।’
কারাগারে আটক রাখার আবেদনে তদন্তকারী কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, ‘মামলার তদন্তকালে আসামি মামলার আলামতের ক্ষতি করাসহ তদন্তে বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারেন।’ একারণে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে গত জুন মাসে রাজধানীর গেন্ডারিয়া থানায় অর্থ আত্মসাতের মামলা করে দুদক।
মামলা সূত্রে জানা যায়, দায়িত্বে থাকাকালে দয়াগঞ্জ সুইপার কলোনি ‘খ’-এর নির্মাণকাজে ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি করে ১ কোটি ৪২ লাখ ৪২ হাজার ১০ টাকা আত্মসাৎ করেন মজিবুর রহমান।
/এসআইটি/এসএনএইচ/এমএনএইচ/