মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. কামরুল হোসেন মোল্লা এ আদেশে দেন।
মামলায় বাকি যাদের আসামি করা হয়েছে, তারা হলেন- তানভীর আহমেদ, তৌহিদুল আলম চঞ্চল, সাইদুর রহমান রাজিব, কাজী মোরশেদুল হক প্লাবন ও মো. আবু ইউসুফ আলী। এর মধ্যে তৌহিদুল আলম চঞ্চল আদালত থেকে জামিন নিয়ে পলাতক রয়েছেন।
এ আদালতের পিপি তাপস কুমার পাল বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১০ সালের ১৮ এপ্রিল রাজধানীর উত্তরার ৩ নম্বর সেক্টরের ২ নম্বর সড়কের তাকওয়া মসজিদের পাকা রাস্তার সামনে নিষিদ্ধ ঘোষিত হিযবুত তাহরীর কয়েকজন সদস্য নিরীহ জনগণকে উস্কে দেওয়ার জন্য রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী লিফলেট এবং পোস্টার বিলি করছিলেন। এ সময় তানভীর, সাইদুর, তৌহিদুলকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশ।
এর পরদিন ১৯ এপ্রিল উপপরিদর্শক আরমান আলী বাদী হয়ে এদের বিরুদ্ধে উত্তরা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করেন।
পরে তানভীর আহমেদ, সাইদুর রহমান ও তৌহিদুলকে রিমান্ডে নিয়ে তাদের তথ্যের ভিত্তিতে অধ্যাপক মুহিউদ্দিন আহমেদ ও কাজী মোরশেদুল হক প্লাবনকে আটক করে পুলিশ। এদের আটকের পর রিমান্ডে নিয়ে জানা যায়, অধ্যাপক মুহিউদ্দিন আহমেদ হিযবুত তাহরীর তৎকালীন (২০১০) প্রধান সমন্বয়কারী এবং প্লাবন যুগ্ম সমন্বয়কারী।
এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের মো. নুরুল আমিন ২০১৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আদালতে অভিযোগ দাখিল করেন। এ ছাড়া অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় চারজনকে অব্যাহতির সুপারিশ করেন। যাদের অব্যাহতির জন্য আবেদন করা হয়, তারা হলেন- মো. মাহমুদুর রহমান, শাহজালাল বুলবুল, মোস্তাফিজুর রহমান এবং ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল। সুপারিশের ভিত্তিতে আদালত তাদের অব্যাহতি দেন।
এ মামলায় ১৬ জনকে সাক্ষী করা হয়। তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় অনেকদিন মামলাটি আটকা ছিল। এ বছরের ৬ জুলাই মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিলে এর আদেশ ২১ আগস্ট আদালতে পৌঁছায়।
এরপর মঙ্গলবার এ মামলাটির বিষয়ে ২৭ সেপ্টেম্বর অভিযোগ গঠনের দিন ধার্য করেন আদালত।
/এসআইটি/এবি/
আরও পড়ুন
এসপি বাবুল আক্তারকে অব্যাহতি