মিরপুরের সাইক ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থী আফসানা ফেরদৌসের রহস্যজনক মৃত্যু মামলার মূল সন্দেহভাজন রবিন এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন। অথচ মাত্র এক মাসেই এ মামলাটিকে পুরনো মামলা বলে চিহ্নিত করেছে কাফরুল থানা পুলিশ। মামলার তদন্তের অগ্রগতি বিষয়ে জানতে চাইলে কাফরুল থানার ইন্সপেক্টর আসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এ তো অনেক পুরনো হয়ে যাওয়া মামলা। ওভাবেই আছে। অগ্রগতি নেই।’
রবিন দেশে নাকি বিদেশে এমন কোনও তথ্য জানা আছে কিনা প্রশ্নে ইন্সপেক্টর আসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘রবিন বর্তমানে পলাতক। আমরা তাকে ধরার চেষ্টা করছি। তিনি দেশে না বিদেশে সেটা আমাদের নলেজে নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘তার বাবা আব্দুল হাই এবং বন্ধু মুসা, আশিকুর রহমান ভূঁইয়া ও সিফাতকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার তিন বন্ধুকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।’ এই পুলিশ কর্মকর্তা আবারও বলেন, ‘এ তো অনেক পুরনো ঘটনা হয়ে গেছে।’
ঘটনার পর ময়নাতদন্তে প্রাথমিকভাবে চিকিৎসক জানান, আফসানার মৃত্যু আত্মহত্যা বলে ধারণা করছেন তারা। তবে স্বজনদের দাবি, আফসানাকে খুন করা হয়েছে। ১৩ আগস্ট মিরপুরের আল হেলাল হাসপাতালে আফসানাকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে আফসানা ফেরদৌসের মৃত্যুকে ‘আপাতদৃষ্টিতে আত্মহত্যা’ বলে যে তথ্য ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক দিয়েছেন, তা প্রত্যাখ্যান করলেও কোনও হত্যা মামলা দায়ের করেনি তার পরিবার। আফসানার মামা হাসানুজ্জামান বলেন, ‘আফসানা আত্মহত্যা করেনি। অনেক প্রশ্নের এখনও জবাব মেলেনি। শুরুতেই রবিনকে ধরার বিষয়ে পুলিশ তৎপর হলে সে পালাতে পারতো না।’
- ভারতে পালিয়েছে নব্য জেএমবি’র ২ নেতা: মনিরুল ইসলাম
- ‘তিনটি মোবাইলফোন আর সহকর্মীদের তথ্যে জানা যাবে আত্মহত্যার কারণ’
/এপিএইচ/আপ-এমও/