সাক্ষাৎকালে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘সরাসরি আপনাদের কাছ থেকে আমাদের আর্থিক সাহায্যের তেমন প্রয়োজন নেই। আমাদের প্রয়োজন উপকরণের। এসব উপকরণ দেশব্যাপী দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলনে ব্যবহার করতে চাই। বিশেষ করে সাইবার ক্রাইম, সক্ষমতা বৃদ্ধি ও দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমের প্রয়োজনীয়তা নিরূপণ করা কমিশনের জন্য জরুরি।’ এ সময় তিনি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণে কারিগরি সহযোগিতা কামনা চান।
দেশের মোট জনগোষ্ঠীর চেয়ে দুদকের জনবল কমের পাশাপাশি কর্মকর্তাদের তদন্তের মান নিয়েও অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেন দুদক চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ‘কমিশনে দুর্নীতি তদন্তকারী কর্মকর্তার সংখ্যা মাত্র ৩০০ থেকে ৩৫০ জন। প্রায় ১৬ কোটি জনসংখ্যার দেশে এ জনবল দিয়ে দুর্নীতি প্রতিরোধ ও দমন সত্যিই কঠিন। এছাড়া তদন্তকারী কর্মকর্তাদের তদন্তের মান নিয়েও আমরা পুরোপুরি সন্তুষ্ট নই।’
দুর্নীতিকে ভাইরাসের সঙ্গে তুলনা করে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘এই ভাইরাস দমনে আমরা এন্টি-ভাইরাস চাই। যে কারণে আমরা বিশ্বের অন্যান্য দেশের উত্তম চর্চাগুলো আমাদের দেশে ছড়িয়ে দিতে চাই।’
প্রতিনিধি দলকে দুদক চেয়ারম্যান জানান, গত বছর দুদকের মামলায় সাজার হার ছিল শতকরা ৩৭ ভাগ। এ বছরের সেপ্টেম্বের পর্যন্ত এ হার হয়েছে শতকরা ৫১ ভাগ।
ইউএনডিপি এর কান্ট্রি ডিরেক্টর সুদীপ্ত মুখার্জী দুদক চেয়ারম্যনের বক্তব্যে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘ইউএনডিপি সুশাসনের ওপর অধিকতর গুরুত্ব দেয়। কমিশনের চলমান এসব কার্যক্রমে ইউএনডিপি অবদান রাখতে চায়।’
সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন দুদকের মহাপরিচালক ড. মো. শামসুল আরেফিন, ইউএনডিপি’র ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর বেরেসফোর্ড ও প্রোগ্রাম অ্যানালিস্ট মাহমুদা আফরোজ প্রমুখ।
আরজে/ এমএনএইচ