এদিকে আদালত থেকে আসামী পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসআই ইমরানুল হাসান বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। কোতোয়ালি থানার ওসি আবুল হাসান বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। আমরা পালিয়ে যাওয়া আসামীকে গ্রেফতারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
গত শনিবার রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকা থেকে রাফসানা হোসেন রুবেলকে গ্রেফতার করে র্যাব। ২৫ অক্টোবর রুবেল তার দুই সহযোগীকে নিয়ে উত্তরা বাড্ডা এলাকায় এক গারো তরুণীকে (১৮) ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর ওই তরুণীর স্বামীর কাছ থেকে টাকা-পয়সাও ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় ওই তরুণী বাদি হয়ে বাড্ডা থানায় একটি মামলা দায়ের করলে র্যাব-১ এর একটি দল শনিবার তাকে গ্রেফতার করে। শনিবারই রুবেলকে বাড্ডা থানায় সোপর্দ করা হয়। গতকাল তাকে আদালতে নিয়ে গিয়েছিলো পুলিশ।
বাড্ডা থানা পুলিশ জানায়, ধর্ষণের মামলায় রুবেল স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজী হলে তাকে ঢাকার মহানগর আদালতে হাজির করা হয়। এসআই ইমরানুল হাসানের নেতৃত্বে পুলিশ তাকে আদালতে নিয়ে যায়। বিচারকের খাস কামরায় প্রবেশের আগে এসআই ইমরান দাফতরিক কাজ সেরে নিচ্ছিলেন। এসময় তার সঙ্গে থাকা কনস্টেবল বাথরুমে গেলে কৌশলে সেখান থেকৈ পালিয়ে যায় রুবেল।
পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, রুবেলের পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি তারবার্তায় সারাদেশের পুলিশ সদস্যদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। তারবার্তায় রুবেলের চেহেরার বর্ণনা ও পোশাকের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়। তার ডান হাতে হাতকড়া পড়ানো ছিলো। উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রুবেলকে দ্রুত গ্রেফতারের বিষয়ে আশা প্রকাশ করেছেন।
/এনএল/এইচকে/