এমপি লিটনের বোন মামলার বাদী হলেন যে কারণে

মনজুরুল ইসলাম লিটনগাইবান্ধা-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনজুরুল ইসলাম লিটন হত্যাকাণ্ডের পর পারিবারিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, এমপি লিটনের স্ত্রী খুরশিদ জাহান স্মৃতি বাদী হয়ে মামলা করবেন। এজন্য সুন্দরগঞ্জ থানা পুলিশ একদিন অপেক্ষাও করেছিল। কিন্তু স্বামীর লাশ নিয়ে ঢাকায় যাওয়ায় এবং মানসিকভাবে কিছুটা বিপর্যস্ত থাকায় মামলা করার সুযোগ হয়ে উঠেনি স্মৃতির। ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এমপি লিটনের বোন তাহমিদা বুলবুল কাকলী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
স্ত্রী বাদী না হয়ে বোন কেন মামলার বাদী হলেন, এমন প্রশ্নের জবাবে সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিয়ার রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘কোনও কারণ নেই। তবে এমপি লিটনের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী খুরশিদ জাহান স্মৃতি মামলা করবেন এজন্য একদিন অপেক্ষাও করেছি। কিন্তু তিনি লাশের সঙ্গে ঢাকায় যাওয়ায় এবং মানসিকভাবে কিছুটা বিপর্যস্ত থাকায় তিনি মামলা করতে পারেননি।’ এমপি লিটনের ছোট বোন তাহমিদা বুলবুল কাকলী বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন বলে জানান তিনি।
তাহমিদা বুলবুল কাকলী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘পারিবারিক সিদ্ধান্ত থাকলেও স্মৃতি ঢাকায় ছিলেন। আমি বাড়িতে থাকায় বাদী হয়ে মামলা করেছি। অন্য কোনও কারণ নেই।’
প্রসঙ্গত, গত ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের বামনডাঙ্গার সাহাবাজ গ্রামের নিজ বাড়ির বৈঠকখানায় দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত হন এমপি মানজুরুল ইসলাম লিটন। এর দু’দিনের মাথায় ২ জানুয়ারি রবিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সুন্দরগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামী করে মামলাটি দায়ের করেন তার ছোট বোন তাহমিদা বুলবুল কাকলী। এজাহারে তিনি এ হত্যাকাণ্ডে জামায়াত-শিবির জড়িত থাকতে পারেও উল্লেখ করেন।

/টিআর/