বুধবার (৪ জানুয়ারি) রাত ৮টায় আগুনে পুড়ে ধসে যাওয়া ডিসিসি মার্কেট পরিদর্শনে এসে এসব দাবির কথা বলেন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন।
ঢাকা উত্তর সিটি কপোরেশনের মেয়র আনিসুল হকের কাছে দাবি জানিয়ে শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, ‘এখানে যদি নতুন স্থাপনা হয় তাহলে সেই নতুন স্থাপনাতেও এখানকার পুরোনো ব্যবসায়ীদের অবশ্যই বরাদ্দ দিতে হবে। তারাই যেন নতুন স্থাপনাতেও বরাদ্দ পেতে অগ্রাধিকার পান, তা নিশ্চিত করতে হবে। তাছাড়া এখানকার ব্যবসায়ীদের দ্রুত ব্যবসায় ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে হবে। এই এলাকায় অর্থনৈতিক কর্মচাঞ্চল্যতা ফিরিয়ে আনতে হবে।’
এফবিসিসিআইয়ের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আরও বলেন, ‘মেয়র আনিসুল হক আমাদেরই মানুষ। আশা করি তিনি বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখবেন।’
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে মহিউদ্দিন বলেন, ‘আপনাদের পক্ষ থেকে যেসব দাবি রয়েছে সেগুলো আমাদের জানান। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের ইকোনোমিক জোনের মিটিং রয়েছে। সেখানে আপনাদের কথাগুলো তার কাছে তুলে ধরব।’
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য শেখ সেলিমের ছেলে ও এফবিসিসিআই পরিচালক শেখ ফাহিম এবং আরেক পরিচালক প্রবীর কুমার শাহা।
শেখ ফাহিম এ সময় ব্যবসায়ীদের বলেন, ‘আমি একজন ব্যবসায়ী। একইসঙ্গে আমি আপনাদের প্রতিবেশী। আমাদের পক্ষ থেকে আপনাদের প্রয়োজনে সব ধরনের সহায়তা করতে প্রস্তুত আছি। আমরা আপনাদের পাশেই আছি।’ ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার একই আশ্বাস দেন প্রবীর কুমারও।
ডিসিসি মার্কেটে আগুন লাগার এই ঘটনাকে ষড়যন্ত্র উল্লেখ করে কাঁচা মার্কেটের দোকান মালিক সমিতির সভাপতি শের মোহাম্মদ উপস্থিত এফবিসিসিআই নেতাদের বলেন, ‘আগুন কোনোভাবেই ইলেকট্রিসিটি থেকে লাগেনি। এখানে ষড়যন্ত্র করে আগুন লাগানো হয়েছে। আমরা ব্যবসায়ী যারা আছি সবাইকে এক থাকতে হবে। আমরা এক থাকলে কেউ কিছু করতে পারবে না।’
ডিসিসি কাঁচা ও পাকা মার্কেটে ছয় শতাধিক দোকান ছিল। আগুনে প্রায় আড়াইশ দোকান পুরোপুরি পুড়ে গেছে এবং বাকিগুলো নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানান ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
/আরজে/টিআর/