পঙ্গু হাসপাতালের ২ কর্মচারীসহ ২৪ দালালকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড

ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে গ্রেফতার দালাল চক্র
শের-ই-বাংলানগর জাতীয় অর্থপেডিক হাসপাতাল (পঙ্গু হাসপাতাল) ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানের (নিটোর) রোগী ভাগিয়ে অন্যত্র নেওয়ার অপরাধে ২৪ দালালকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার সকালে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে পঙ্গু হাসপাতালে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ১ জনকে চারমাস, ১০ জনকে তিনমাস, ৫ জনকে দুই মাস, ৬ জনকে এক মাস ও ২ জনকে পনের দিনের  কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম জানান, ‘দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে স্থানীয় বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যেতো। এভাবে অসহায় রোগীদের কাছ থেকে চিকিৎসার নামে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয় দালাল চক্র।’

মো. সারওয়ার আলম বলেন, ‘এমন অভিযোগের ভিত্তিতে আজ আমরা অভিযান চালাই। অভিযানকালে দেখা যায়, ‘একটি চক্রের সদস্যরা বহির্বিভাগে ও জরুরি বিভাগে আসা রোগীদের হাসপাতালে প্রবেশ করতে বাধা দিচ্ছিল। একইসঙ্গে বিভিন্ন নিম্নমানের বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়ার পাঁয়তারা করছিল। এসময়  সততা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ৬  জন দালালসহ মোট ২২ জন দালাল ও অর্থপেডিক হাসপাতালের ২ জন কর্মচারীকে আটক করা হয়। পরে  স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে তাদের বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

কারাদণ্ডাদেশপ্রাপ্তরা হলো, মিরাজ হোসেন (২০), গোলাম মোস্তফা (৪০), মো. আলম (৪৫), আহসান হাবীব (২৪), আমির হোসেন (২৫), মো. দুলাল (৫৭), মো. জহির (৩৫), মমিন মিয়া (৩২), রবিউল ইসলাম (৩৫), রিনা বেগম (৪৫), মঞ্জু মাহমুদ (৩০), মো. জসিম (২৮), সজীব সরকার (২৪), আবুল কালাম আজাদ (৪৫), মালেকা বেগম(৩৫), মো. আলাউদ্দিন (১৯), মো. রাশেদ (২২), মো. সুমন (৩৮), ফিরোজ আহমেদ (৪২), গোলাপী বেগম (৩৮), সাহিদা বেগম (৫৫), পারভীন বেগম (৫৫), হুমায়ুন কবির (৫৮) ও মাহফুজা বেগম (৫০)।

র‌্যাব-২-এর অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন, উপ-পরিচালক মেজর মোহাম্মদ আলী; উপ-পরিচালক মো. মাহবুব আলম ও অতিরিক্তি পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সী।

আরও পড়ুন: পল্টনে বাসায় ঢুকে আ. লীগ নেতার মাকে গুলি

/আরজে/এমএনএইচ/