এর আগে রবিবার সকালে বিচারিক আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করতে বার বার সময়ের আবেদনের কারণ জানতে চান আপিল বিভাগ। বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করতে রাষ্ট্রপক্ষ আবারও সময়ের আবেদন করলে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন ৮ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিধিমালার গেজেট সরকারের পক্ষ থেকে দাখিলের জন্য আজ দিন ধার্য ছিল। আমরা দুই সপ্তাহ সময় চেয়েছি। সুপ্রিম কোর্ট ও আইন মন্ত্রণালয়ের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বিধিমালার কিছু সংশোধন করে তা রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে। আদালত আমাকে বলেছেন লিখিত দরখাস্ত দাখিল করতে।’ তিনি আরও বলেন, ‘রুলস প্রণয়ন করবেন রাষ্ট্রপতি। মন্ত্রণালয় থেকে আমাকে জানানো হয়েছে এখন আর কোনও সমস্যা নেই। বিধিমালা জারি করা হবে। রুলস না থাকলে বিশৃঙ্খলার বিষয়টি থেকে যায়। আইন মন্ত্রণালয় ও বিচার বিভাগের এমন সম্পর্ক থাকা উচিত যেন অচলাবস্থার সৃষ্টি না হয়।’
গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করতে সরকারকে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় বেঁধে দেন আপিল বিভাগ। বিচারিক আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়ন না করায় আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবকে ১২ ডিসেম্বর তলবও করেন আপিল বিভাগ। এর আগে গত বছরের ৭ নভেম্বর বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধিমালা ২৪ নভেম্বরের মধ্যে গেজেট আকারে প্রণয়ন করতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ।
উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর মাসদার হোসেন মামলায় ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেওয়া হয়। ওই রায়ের আলোকে বিচারিক আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা ছিল।
/ইউআই/ এমএনএইচ/