বৃহস্পতিবার বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনুন নাহার সিদ্দিকা সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার রফিকুর রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।
একই সঙ্গে অভিযুক্ত ওই পাচঁ ছাত্রের রেজাল্ট প্রকাশকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, রেজিস্ট্রারসহ সংশ্লিষ্ট ৯ জনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
পরে আইনজীবী রফিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্ম স্ট্রাকচার ও এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মাস্টার্স (এমএস জুলাই-ডিসেম্বর ২০১৫) সেশনের ১১ ছাত্র-ছাত্রী তাদের থিসিস জমা দেয়। তার মধ্যে থেকে ৫ জনের থিসিস নকল হিসেবে প্রতীয়মান। পরে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান ড. মো আনোয়ার হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে লিখিতভাবে অবহিত করেন।
তিনি আরও জানান, কিন্তু প্রশাসন তার এ অভিযোগ আমলে না নিয়ে উল্টো ফল প্রকাশ করে এবং নকল ধরায় এবং অভিযোগ দেওয়ায় তার বিরুদ্ধেই অব্যাহতির আদেশ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
/এসএমএ/এমও/