প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল বেলা দেড়টার দিকে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড থেকে অপহৃত হন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাত ব্যক্তি। পরে ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদীতে একে একে ভেসে ওঠে তাদের মধ্যে ছয় জনের লাশ। পরদিন মেলে আরেকটি লাশ। নিহত অন্যরা হলেন— নজরুলের বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন, গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম ও চন্দন সরকারের গাড়িচালক মো. ইব্রাহীম। এ ঘটনার একদিন পর কাউন্সিলর নজরুলের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বাদী হয়ে নূর হোসেনসহ ছয় আসামির নাম উল্লেখ করে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করেন।
এর আগে ৭ মে সাত খুন হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) ও আপিলের পেপার বুক (মামলার সারসংক্ষেপ) সরকারি ছাপাখানা থেকে হাইকোর্টে এসে পৌঁছায়। সেদিন হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার (বিচার ও প্রশাসন) মো. সাব্বির ফয়েজ সাংবাদিকদের বলেন, ‘পেপার বুক অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রস্তুত হয়ে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এসে পৌঁছেছে। প্রধান বিচারপতি হাইকোর্টের বেঞ্চ নির্ধারণ করে দিলে তা কার্যতালিকায় আসবে।’
সাত খুন মামলায় চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি ২৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আদালত। মামলার ৩৫ আসামির মধ্যে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন ২৩ জন।
/ইউআই/জেএইচ/
আরও পড়ুন-
পেপার বুক প্রস্তুত: হাইকোর্টে সাত খুন মামলার শুনানি শিগগিরই