চার সপ্তাহের মধ্যে স্বাস্থ্য সচিব, জনপ্রসাশন সচিব, প্রকল্প পরিচালকসহ মোট সাতজনকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মো. শিশির মনির। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট আসাদ উদ্দিন।
শুনানি শেষে অ্যাডভোকেট আসাদ উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে রেভিটা লাইজেশন অব কমিউনিটি হেলথ কেয়ার ইনিশিয়েটিভ ইন বাংলাদেশ প্রকল্পে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রভাইডার (সিএইচসিপি) হিসেবে ২০১১ সালে প্রায় ১৩ হাজার জন চাকরিতে যোগ দেন। তাদের সঙ্গে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার মাসুদসহ ৬০জনও ছিলেন। প্রকল্পটির মেয়াদ ছিল ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত। পরবর্তী সময়ে এ প্রকল্পর মেয়াদ এক বছর বাড়ানো হয়। ওই প্রকল্পে কর্মরত সবার এসিআর বুক খোলা হয়। সার্ভিস বুক খোলারও নির্দেশ দেয় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাদের কাউকেই রাজস্বখাতে অন্তর্ভুক্ত না করায় সম্প্রতি হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।
/এমটি/ এমএনএইচ/