রায়ের অনুলিপি পাওয়ার এক মাসের মধ্যে ফের কমিটি গঠন করে যাচাই-বাচাই সম্পন্ন করারও নির্দেশ দেন আদালত। আবেদনের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ের নামে কমিটি ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের নাম অন্তর্ভুক্তি করছে’ এমন অভিযোগে আশাশুনি উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা আবদুল গণি সরদার গত ৬ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে রিট করেন। ১৯ ফেব্রুয়ারি রিটের শুনানি শেষে ওই কমিটির কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিতের আদেশ দেন বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ। একইসঙ্গে আশাশুনি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত।
এ আদেশের বিরুদ্ধে বিবাদীপক্ষ লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) দায়ের করে। আপিল বিভাগ এ আবেদন শুনানি করে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রাখেন এবং মামলাটি চূড়ান্ত শুনানির জন্য ওই বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন।
/এমটি/ইউআই/এএম/এসএমএ/