গত ২ জুলাই শো-রুম মালিকসহ পাঁচ জন দগ্ধ হন। অন্যরা হলেন— মালিক মামুনুর রশিদ (৪০), শামীম (৩৫), জাকির হোসেন (২৪), আবুল কাশেম (৬৫)। তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।
দোকান মালিকের ভাই মারুফ হোসেন জানান, চকবাজার থানার হরনাথ ঘোষ রোডে রয়েল হোটেলের বিপরীতেই মামুনুর রশিদের তাবা ইলেক্ট্রনিক্স শো-রুম। এখানে টিভি, ফ্রিজ, এসিসহ বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স জিনিসপত্র বিক্রি করা হয়। ঈদের ছুটি শেষে ২ জুলাই সকাল ১১টার দিকে মামুনুর রশিদ দোকান খোলেন। এ সময় কয়েকজন ক্রেতাও আসেন দোকানে। হঠাৎ একটি এসির কম্প্রেশার বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তে দোকানে আগুন ধরে যায়। এতে পাঁচ জন দগ্ধ হন।
মামুনুর রশিদের চাচাশ্বশুর বেল্লাল হোসেন জানান, দগ্ধদের মধ্যে শামীম ও জাকির হোসেন দোকান কর্মচারী। দগ্ধ মাসুম চকবাজারের ব্যবসায়ী। তিনি মামুনুর রশিদের বন্ধু। আর আবুল কাশেম দোকানের কাস্টমার। তিনি পেশায় গ্রিলমিস্ত্রী।
ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. পার্থ শংকর পাল বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, দগ্ধ পাঁচ জনেরই শ্বাসনালীসহ হাত-পা এবং মুখ ঝলসে গেছে। মামুনুর রশিদের ১৮ শতাংশ, শামীমের ২৮ শতাংশ, জাকির হোসেনের ২৫ শতাংশ, আবুল কাশেমের ১৬ শতাংশ এবং মাসুমের শরীরের ৫০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের মধ্যে মামুনুর রশিদ ও মাসুমকে রাখা হয়েছে আইসিইউতে।
ফায়ার সার্ভিস সদর দফতরের ডিউটি অফিসার আতাউর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। তারা সেখানে পৌঁছার পরপরই আগুন নিভে যায়।
/এআইবি/জেএইচ/