বাংলা ট্রিবিউনকে ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া জানান, ‘ড. ফরিদীকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানোর প্রক্রিয়া ঠিক ছিল না। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনে সিন্ডিকেট কোনও কর্মচারীকে ছুটিতে পাঠানোর বিধান নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রতিষ্ঠানে আইন মেনে ব্যবস্থা নেবে এটাই কাম্য কিন্তু আমরা এর ধারাবাহিক ব্যত্যয় ঘটতে দেখছি, এটা দুঃখজনক। ড. ফরিদীকে কেন ছুটিতে পাঠানো হলো, সেটাও জানানো হয়নি। এটা কোনও যুক্তিতেই গ্রহণযোগ্য নয়।’
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের একান্ত সহকারী মুন্সী শামসুদ্দিন, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) নাসরিন আহমান, উপ-উপাচায ড. মো আখতারুজ্জামান বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, তারা এই আইনি নোটিশ বিষয়ে কিছুই জানেন না।
এর আগে গত ১৩ জুলাই ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এই শিক্ষককে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ বিষয়ে সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ফরিদ আহমেদ বলেন, 'রুশাদ ফরিদীর বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩১ জন শিক্ষক অভিযোগ দিয়েছেন। তারা বলেছেন, তার (রুশাদ ফরিদি) সঙ্গে তারা কাজ করবেন না। তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে এবং প্রাথমিকভাবে ওই শিক্ষককে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে।'
/ইউআই/এএইচ/এমএনএইচ/