পরে খুরশিদ আলম খান সাংবাদিকদের জানান, ‘আজ বিচারপতি জয়নাল আবেদীনের জামিন নিয়ে বিষয়ে শুনানি করার সময় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ থেকে পরিবর্তন করে আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আব্দুল ওয়াহ্হাব মিঞার বেঞ্চে পাঠিয়েছেন। এখন মামলাটি সুপ্রিম কোর্টের (কজলিস্টে) তালিকা অনুসারে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।’
এর আগে ১৮ জুলাই আবেদন শুনানি স্থগিত করেননি আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত। ওই দিন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন এই আদেশ দেন। তবে, জামিন স্থগিত সংক্রান্ত দুদকের আবেদনের ওপর আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য ২৩ জুলাই দিন ধার্য করেন।
গত ১০ জুলাই হাইকোর্ট থেকে জামিন নেন বিচারপতি মো. জয়নুল আবেদীন। তার জামিন আবেদনে বলা হয়, সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ দেয় দুদক। এরপর তিনি দুই বার দুদকে হাজির হন। তার বিরুদ্ধে কোনও মামলা নেই। এরপরও গত ৫ ও ১৭ জুন একটি দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, মামলা না হলেও দুদক তাকে গ্রেফতার করতে পারে। এ পরিস্থিতিতে গ্রেফতারের আশঙ্কায় আগাম জামিনের আবেদন করেন তিনি।
জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১০ সালের ১৮ জুলাই সম্পদের হিসাব চেয়ে আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি মো. জয়নুল আবেদীনের বিরুদ্ধে নোটিশ দেয় দুদক। এ নোটিস চ্যালেঞ্জ করে তিনি ওই বছরের ২৫ জুলাই হাইকোর্টে রিট আবেদন করলেও বিষয়টি উত্থাপিত হয়নি বিবেচনায় খারিজ করে দেন হাইকোর্ট।
এরপর ওই বছরের ২৫ অক্টোবর দুদক পুনরায় সম্পদের হিসাব দাখিল করতে নোটিশ দেয়। এর সাত বছর পর চলতি বছরের জানুয়ারিতে দুদক আবার নোটিশ দেয় তাকে। এ নোটিশে তাকে আগের সম্পদের হিসাব স্পষ্ট করতে দুদকে হাজির হতে বলা হয়। পাশাপাশি তার বিষয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চেয়ে গত ২ মার্চ সুপ্রিম কোর্টকে চিঠি দেয় দুদক। এর জবাবে তদন্ত না করতে গত ২৮ এপ্রিল দুদককে পাল্টা চিঠি দেয় সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। এ নিয়ে জাতীয় সংসদেও আলোচনা হয়েছে।
/এমটি/ এমএনএইচ/