স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সামাজিকভাবে নিরাপত্তা বাড়ানোর লক্ষ্যে আইজিপি কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থা শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এরইমধ্যে দুই দফায় ৮০ হাজার পুলিশ সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সীমাবদ্ধতার কারণে পুলিশকে অনেক সুবিধাই দেওয়া যায়নি।’ গাড়িসহ পুলিশের অন্যান্য সমস্যার সমাধানে কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক বলেন, ‘কমিউনিটি পুলিশিং হলো একটা স্বেচ্ছাশ্রম। কমিউনিটি পুলিশের কমিটিগুলো গঠন করতে হবে ভালো লোক দিয়ে। তাহলেই কমিউনিটি পুলিশিং সফল হবে। এতে জনগণের সহযোগিতা পাওয়া যাবে। নাগরিক দায়িত্ব জাগিয়ে তোলা এবং সংগঠিত করাই এর লক্ষ্য। ’
অনুষ্ঠানে ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া ছাড়াও পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। কমিউনিটি পুলিশিং ডে উপলক্ষে ডিএমপির আট বিভাগ থেকে আটজন সদস্যকে ও বিট পুলিশিংয়ের কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করা হয়।
শনিবার (২৮ অক্টোবর) সারাদেশে কমিউনিটি পুলিশিং ডে পালিত হচ্ছে। সকাল সাড়ে ১০টায় ডিএমপি সদর দফতরের সামনে থেকে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা শোভাযাত্রা বের করেন। কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সামনে গিয়ে র্যালি শেষ হয়।