খালেদা জিয়া ও গয়েশ্বরের বিরুদ্ধে মানহানি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ৯ জানুয়ারি

খালেদা জিয়া ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায় (ফাইল ছবি)মুক্তিযুদ্ধের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ায় মানহানির মামলা রয়েছে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে। এর তদন্ত প্রতিবেদন ৯ জানুয়ারি জমা দেওয়ার জন্য বলেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর হাকিম মাজহারুল হক এই আদেশ দেন।
বৃহস্পতিবার তদন্ত প্রতিবেদন নির্ধারণের দিন ছিল। কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা তা দেননি। এ কারণে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য ৯ জানুয়ারি ধার্য করেছেন আদালত।
মামলার অভিযোগে বলা হয়— ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় অংশ নেন খালেদা জিয়া। সেখানে তার মুখে শোনা গেছে, ‘তিনি তো (বঙ্গবন্ধু) বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাননি, তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এখন বলা হয়, এত শহীদ হয়েছে। এ নিয়েও অনেক বিতর্ক আছে।’
অন্যদিকে মামলার আরেক আসামি গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ২০১৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় বিতর্কিত মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবীরা নির্বোধের মতো মারা গেছে। একাত্তরের ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত যারা পাকিস্তানের বেতন-ভাতা খেয়েছেন তারা নির্বোধের মতো মারা গেলেন? আর আমাদের মতো নির্বোধরা শহীদ বুদ্ধিজীবী হিসেবে তাদের কবরে ফুল দেই। আবার না দিলে পাপ হয়।’

খালেদা জিয়া ও গয়েশ্বরের এসব বক্তব্য দণ্ডবিধি ৫০০ ধারায় অপরাধ উল্লেখ করে মামলা হয়। ২০১৬ সালের ৫ জানুয়ারি ঢাকার মহানগর হাকিম আদালতে বাদী হয়ে মামলাটি করেন জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এবি সিদ্দিক।