আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে সময় চেয়ে আবেদন করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস। অন্যদিকে, রিটের পক্ষে ছিলেন ড. বশির আহমেদ। পরে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করে মামলার শুনানির জন্য নতুন দিন ধার্য করেন।
এর আগে, গত ২০ নভেম্বর ৭ মার্চকে ঐতিহাসিক জাতীয় দিবস হিসেবে কেন ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। ওই রুলে ৭ মার্চকে ঐতিহাসিক জাতীয় দিবস হিসেবে কেন ঘোষণা করা হবে না, ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু যে স্থানে যে মঞ্চে ভাষণ দিয়েছিলেন, পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ ও ইন্ধিরা গান্ধীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে সেই স্থানে মঞ্চ পুনর্নির্মান এবং বক্তব্যরত বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য কেন নির্মাণ করা হবে না তা জানতে চান আদালত।
এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে এই সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে পদক্ষেপ আদালতে জানাতে বলা হয়। কিন্তু এ বিষয়ে জবাব না দিয়ে রাষ্ট্রপক্ষ সময় আবেদন করায় আদালত সময় মঞ্জুর করেন।