বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ সদর দফতরের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন নবনিযুক্ত আইজিপি। আগামী সংসদ নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ মনে করেন কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন পরিচালনা করবে ইসি। তবে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য আমরা কঠোর অবস্থানে থাকবো।’
জাবেদ পাটোয়ারী মনে করেন, পুলিশ সদস্যরা যোগদানের পর থেকে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে থাকে। তার মন্তব্য, ‘প্রতিটি দিনই আমাদের কাছে নতুন চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশ পুলিশের দুই লক্ষাধিক সদস্যের অধিকাংশই সেবাব্রতী। বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার মধ্যেও তারা দেশ ও মানুষের নিরাপত্তায় কাজ করে যাচ্ছেন।’
তবে পুলিশের মধ্যে যারা অপরাধে জড়িয়ে পড়েছেন তাদের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন জাবেদ পাটোয়ারী। তার কথায়, ‘গুটিকয়েক বিপথগামী সদস্যের অপেশাদার আচরণের জন্য আমাদের অনেক সময় বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। তাই কোনও ব্যক্তির অপরাধের দায় পুলিশ বিভাগ নেবে না।’
এদিকে জঙ্গিবাদ ও মাদক নির্মূলকে বড় চ্যালেঞ্জ মনে করছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক। তার ভাষ্য, ‘জঙ্গি ও মাদকের বিস্তার আমাদের সামনে সবচেয়ে বড় দুটি সমস্যা। জঙ্গি নির্মূলে বাংলাদেশি মিডিয়া পুলিশকে যেভাবে সহায়তা করেছে, মাদক নির্মূলসহ অন্য বিষয়েও সবাই মিলে এভাবে কাজ করতে পারলে সাফল্য আসতে পারে।’
দায়িত্ব পালনে সবার সহযোগিতা কামনা করেন নবনিযুক্ত আইজিপি। তার কথায়, ‘জঙ্গি দমনে পুলিশ বাহিনীর আন্তরিক সদস্য ও গোয়েন্দা বিভাগের মেধাবীরা অবদান রাখছেন। তাদের কাছে আসা অগ্রিম তথ্যের ভিত্তিতে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এতে অনেক শীর্ষ জঙ্গি আটক হয়ে বর্তমানে বিচারাধীন আছে। আবার অনেকে অভিযান চলাকালে নিহত হয়েছে। আমরা আমাদের জঙ্গিবিরোধী কার্যক্রম চলমান রাখবো এবং আরও জোরদার করবো।’
নতুন আইজিপি বলেন, ‘জঙ্গিদমনের পাশাপাশি মাদক নির্মূল করাও আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এ দেশ আমাদের সবার। মাদকের ছোবল থেকে তরুণদের সুরক্ষার জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অন্য বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করবো। আমি বিশ্বাস করি, জঙ্গিবাদ নির্মূলে সাংবাদিকরা যেভাবে আমাদের পাশে থেকে কাজ করেছেন সেভাবে কাজ করতে পারলে সাফল্য আসবে।’