জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা: সালিমুল হকের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ

সুপ্রিম কোর্টজিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে ১০ বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল আপিল আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তার অর্থদণ্ড স্থগিত রাখার আদেশ দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি এ আপিল আবেদনের শুনানি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আপিলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে বলে আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শাহ মনজুরুল হক। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন।

এর আগে গত ৬ মার্চ সালিমুল হকের পক্ষে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আপিলটি করা হয়।

প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের নামে দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় মামলাটি করে দুদক।

মামলাটি তদন্ত করে দুদকের সহকারী পরিচালক হারুনুর রশিদ খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ অপর চারজনকে অভিযুক্ত করে ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

গত ২০ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা তার পক্ষে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আপিল করেন। পরে গত ২২ ফেব্রুয়ারি বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে খালেদার আইনজীবীদের আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। সেদিন খালেদার জরিমানা স্থগিত করে বিচারিক আদালতের নথি ১৫ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর ২৫ ফেব্রুয়ারি জামিন শুনানি শেষে বিচারিক আদালতের নথি পৌঁছার পর হাইকোর্ট জামিন বিষয়ে আদেশের জন্য সময় নির্ধারণ করেছেন।  

এরপর ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ৫ বছর ও দলটির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন আদালত। সাজা ঘোষণার পর থেকে সালিমুল হক কারাগারেই আছেন।