রবিবার (২৫ মার্চ) রাজধানীর বকশিবাজারে অবস্থিত ঢাকার ২ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক হোসনে আরা বেগম এই আদেশ দেন।
রবিবার মামলাটির অভিযোগ গঠন শুনানির দিন ধার্য ছিল। আসামিপক্ষ অভিযোগ গঠন পেছানোর সময়ের আবেদন করে বলেন মামলাটি উচ্চ আদালতে স্থগিত রয়েছে বিধায় সময়ের আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে এই তারিখ ঠিক করেন। একইসঙ্গে সব আসামিকে আগামী ২৬ এপ্রিল আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেন।
খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বাংলা ট্রিবিউনকে এই তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া অন্য একটি মামলায় দণ্ডিত হয়ে কারাগারে আছেন বলে সময়ের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জর করেন।’
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে কয়লা উত্তোলন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণে ঠিকাদার নিয়োগে অনিয়ম এবং রাষ্ট্রের ১৫৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা ক্ষতি ও আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি শাহবাগ থানায় মামলাটি করা হয়। ওই বছর ৫ অক্টোবর ১৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মামলার অপর আসামিরা হলেন, সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান (মৃত), সাবেক স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মান্নান ভূঁইয়া (মৃত), সাবেক শিল্পমন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামী (মৃত), সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী আলী আহসান মো. মুজাহিদ (মৃত), ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, এম কে আনোয়ার (মৃত), এম শামসুল ইসলাম (মৃত), আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ব্যারিস্টার আমিনুল হক, এ কে এম মোশাররফ হোসেন, জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব নজরুল ইসলাম, পেট্রোবাংলার সাবেক চেয়ারম্যান এস আর ওসমানী, সাবেক পরিচালক মঈনুল আহসান, বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম ও খনির কাজ পাওয়া কোম্পানির স্থানীয় এজেন্ট হোসাফ গ্রুপের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন।