বুধবার (২৮ মার্চ) চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন। একইসঙ্গে আসামির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণ আগামী ২২ এপ্রিল শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশন পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর রানা দাশ গুপ্ত। আর আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আব্দুস সাত্তার পালোয়ান।
প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, একটি ফৌজদারি মামলায় মাহবুবুর রহমানকে গত বছর গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই বছরের ৯ জুন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ট্রাইব্যুনালের অধীনে মাহবুবকে গ্রেফতার দেখানো হয়। মাহবুবের বাড়ি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বইরাতিয়া পাড়ায়।
তদন্ত সংস্থার তথ্য অনুসারে,মুক্তিযুদ্ধের সময় ৭ মে আসামি মাহবুবুরের সহায়তায় পাকিস্তানি বাহিনীর সদস্যরা রণদা প্রসাদ সাহা ও তার ছেলে ভবানী প্রসাদ সাহাকে নারায়ণগঞ্জের খানপুর এলাকার সিরাজউদ্দৌলা রোডের বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায়। পরে তাদের আর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।
এই আসামির বিরুদ্ধে সাহাপাড়া এলাকা ৩৩ জন হিন্দুকে ধরে নিয়ে হত্যা এবং মির্জাপুর থেকে ২৪ জনকে অপহরণের পর এদের মধ্যে ২২ জনকে মধুপুরে নিয়ে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।
তবে চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদনে মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে টাঙ্গাইলের বিখ্যাত সমাজ সেবক রণদা প্রসাদ সাহা হত্যাসহ অপহরণ, অগ্নিসংযোগ ও গণহত্যার ৩টি অভিযোগ আনা হয়েছে।