দুদক চেয়ারম্যানের ভাষ্য, ‘কারও প্রতি অন্যায় হবে তা আমরা চাই না। যে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ এলেই আমরা তদন্ত করি। আমার বা আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ এলেও তদন্ত হবে।’
যোগ করে ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘রাজনৈতিক নেতারা কে কী বলছেন, তা তাদের ব্যাপার। রাজনৈতিক ব্যাপারে আমার কোনও বক্তব্য নেই। তাছাড়া কারও প্রতিক্রিয়া দিয়ে তো দেশ বা কোনও প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না। আমরা নিজেদের বিদ্যা-বুদ্ধি ও অভিজ্ঞতা দিয়ে কাজ করি।’
নির্বাচনকে সামনে রেখে ইস্যু তৈরি করতে এমন অভিযোগ আনা হয়েছে— বিএনপি নেতাদের এমন অভিযোগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমাদের কাছে নির্বাচন কোনও ইস্যু নয়। নির্বাচন যাদের কাছে ইস্যু, বিষয়টি তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করেন। আমাদের কাছে সব বছরই সমান বছর। সব দিনই সমান দিন। আমাদেরকে কি আপনারা বেশি উত্তজিত বা অতি উৎসাহী হতে কখনও দেখেছেন? আমরা সবসময় সমানভাবে কাজ করে যাই।’
সোমবার (২ এপ্রিল) দুদকের উপ-পরিচালক ঋত্বিক সাহা স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে বিএনপির শীর্ষ আট নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। ব্যাংকে সন্দেহজনক লেনদেন ছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত সম্পত্তি অর্জনের অভিযোগও রয়েছে বলে জানিয়েছেন দুদক কর্মকর্তারা।
অভিযুক্ত বিএনপির নেতারা হলেন— স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, মির্জা আব্বাস, দলের সহ-সভাপতি আবদুল আউয়াল মিন্টু ও এম মোর্শেদ খান, যুগ্ম-মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল ও নির্বাহী সদস্য তাবিথ আউয়াল।