আসামি পক্ষের আইনজীবী জাহিদুল ইসলাম কোয়েল বাংলা ট্রিবিউনকে এই তথ্য জানান। এ নিয়ে ছয়টি ধার্য তারিখে হাজির হওয়ার পরও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিমের জেরা হয়নি।
আইনজীবী জাহিদুল ইসলাম বলেন, মামলাটির তিনটি বিষয় নিয়ে উচ্চ আদালতে আমরা আবোদন করেছি। এই মামলার একজন সাক্ষীকে ফের জেরা করার কথা বলা হয়েছে। আবার মামলার চার্জশিটের দু’জন সাক্ষীকে আসামি করে আবার পরে রাজসাক্ষী বানানো হয়েছে। এছাড়া দুদক মামলাটি তদন্ত করে পুলিশের চার্জশিট ফরমে রিপোর্ট দিয়েছে। এই বিষয়গুলো নিয়ে প্রশ্ন তুলেই আমরা সময় আবেদন করেছি।
মামলার শুনানিতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও দুদকের আইনজীবী খোরশেদ আলম। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘যেহেতু মামলায় উচ্চ আদালতের কোনও স্থগিতাদেশ নেই, তাই তদন্ত ককর্মকর্তাকে জেরা করতেও কোনও বাধা নেই।’
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম ক্যান্টনমেন্ট থানায় বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। পরে তারেক রহমান ও তার ব্যবসায়িক অংশীদার গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের বিরুদ্ধে চার্জশিট (অভিযোগ পত্র) দাখিল করেন মামলার বাদী ও তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, টঙ্গীর বিসিক শিল্প এলাকায় একটি ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের কার্যক্রম শুরু হলে ওই কার্যাদেশ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান ও গিয়াস আল মামুন। তারা এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে ‘নির্মাণ কনস্ট্রাকশন লি.’ কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক খাদিজা ইসলামের কাছ থেকে ২০০৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে থেকে ২০০৭ সালের ৩১ মে পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার বছর সময়ে ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৮৪৩ টাকা হাতিয়ে নেন। দুই আসামি এই টাকা সিঙ্গাপুরের ৬৫, চুলিয়া স্ট্রিটের ওভারসিজ চাইনিজ ব্যাংকিং করপোরেশন লিমিটেডে (ওসিবিসি) পাচার করেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে অভিযোগপত্রে।